জন্ম থেকেই বুদ্ধি প্রতিবন্ধী শিশুর পাশে দীঘিনালা জোন, স্বস্তি অসহায় পরিবারে

জন্ম থেকেই বুদ্ধি প্রতিবন্ধী শিশুর পাশে দীঘিনালা জোন, স্বস্তি অসহায় পরিবারে

জন্ম থেকেই বুদ্ধি প্রতিবন্ধী শিশুর পাশে দীঘিনালা জোন, স্বস্তি অসহায় পরিবারে
“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

জার্নাল প্রতিবেদক

জন্মের পর থেকেই শারীরিক ও বুদ্ধিপ্রতিবন্ধকতায় ভুগছে খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলার ১১ বছর বয়সী এক শিশু। বয়স বাড়লেও সে এখনো কথা বলতে পারে না, স্বাভাবিকভাবে চলাফেরাও করতে পারে না। প্রতিদিনের জীবন কাটছে পরিবারের সার্বক্ষণিক পরিচর্যার ওপর নির্ভর করে। কিন্তু চরম দারিদ্র্যের কারণে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা, থেরাপি কিংবা নিয়মিত পরিচর্যার ব্যয় বহন করা পরিবারটির পক্ষে সম্ভব হয়নি। ফলে দীর্ঘদিন ধরেই অসহায়ত্বের মধ্যেই দিন কাটছিল শিশুটির।

এমন বাস্তবতায় মানবিক সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর দীঘিনালা জোন। শিশুটির শারীরিক অবস্থার খবর পেয়ে জোনের পক্ষ থেকে তার পরিবারের খোঁজখবর নেওয়া হয় এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করা হয়। সেনাবাহিনীর এই উদ্যোগে পরিবারটির মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

স্থানীয়রা জানান, দুর্গম পার্বত্য অঞ্চলের প্রত্যন্ত জনপদে বসবাসকারী অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়াতে দীর্ঘদিন ধরেই বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর দীঘিনালা জোন। চিকিৎসাসেবা, আর্থিক সহায়তা, ত্রাণ বিতরণ, শিক্ষা সহায়তা এবং জরুরি প্রয়োজনে বিভিন্ন ধরনের সহযোগিতার মাধ্যমে তারা এলাকার মানুষের আস্থা ও ভালোবাসা অর্জন করেছে।

শিশুটির পরিবারের সদস্যরা সেনাবাহিনীর এ সহায়তার জন্য গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে অর্থাভাবে সন্তানের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা করাতে না পেরে তারা চরম দুশ্চিন্তায় ছিলেন। এমন সময়ে সেনাবাহিনী তাদের পাশে দাঁড়ানোয় নতুন করে আশার আলো দেখতে পাচ্ছেন তারা।

এলাকার সচেতন মহলও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর এ মানবিক উদ্যোগের প্রশংসা করেছেন। তাদের মতে, দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় যেখানে অনেক পরিবার নানা সীমাবদ্ধতার মধ্যে জীবনযাপন করে, সেখানে অসহায় মানুষের পাশে এভাবে দাঁড়ানো শুধু সহমর্মিতারই নয়, সামাজিক দায়িত্ববোধেরও উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। বিশেষ করে প্রতিবন্ধী শিশুদের প্রতি এমন সহযোগিতা তাদের পরিবারকে মানসিকভাবে সাহস জোগানোর পাশাপাশি সমাজে ইতিবাচক বার্তা পৌঁছে দেয়।

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে অসহায়, দরিদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কল্যাণে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মানবিক কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। দুর্গম পার্বত্য অঞ্চলের মানুষের জীবনমান উন্নয়ন, চিকিৎসাসেবা নিশ্চিতকরণ এবং মানবিক সহায়তা প্রদানে সেনাবাহিনী আগামীতেও একইভাবে কাজ করে যাবে বলেও তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

  • অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
  • ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
  • ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল কন্টেন্টের দুনিয়ায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You may have missed