‘আদিবাসী’ দিবসে বান্দরবানে ১১ নৃ-গোষ্ঠীর বর্ণাঢ্য আয়োজন, শান্তিচুক্তি বাস্তবায়নের দাবি

‘আদিবাসী’ দিবসে বান্দরবানে ১১ নৃ-গোষ্ঠীর বর্ণাঢ্য আয়োজন, শান্তিচুক্তি বাস্তবায়নের দাবি

‘আদিবাসী’ দিবসে বান্দরবানে ১১ নৃ-গোষ্ঠীর বর্ণাঢ্য আয়োজন, শান্তিচুক্তি বাস্তবায়নের দাবি
“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

জার্নাল প্রতিবেদক

নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে বান্দরবানে আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস উদযাপন করা হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে আলোচনা সভা, বর্ণাঢ্য র‌্যালিসহ বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেন পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত বিভিন্ন ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর নেতৃবৃন্দ, নারী-পুরুষ ও সমর্থকেরা।

রোববার (৯ আগস্ট) সকালে আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস উদযাপন কমিটির উদ্যোগে বান্দরবান শহরের রাজারমাঠে বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও সমর্থকেরা জড়ো হন। পরে বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান থোয়াইং চ প্রু মাস্টার উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত থেকে দিবসটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

উদ্বোধনী পর্ব শেষে রাজারমাঠের মঞ্চে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরাম, বান্দরবান পার্বত্য জেলা শাখার সভাপতি ডা. মং উষাথোয়াইয়ের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের সদস্য কে এস মং মারমা।

সভায় সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক কৃপা ত্রিপুরা, গণসংহতি আন্দোলনের নির্বাহী সমন্বয়কারী রিপন চক্রবর্তীসহ পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য দেন।

আলোচনা সভায় বক্তারা আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস রাষ্ট্রীয়ভাবে পালনের দাবি জানান। একই সঙ্গে পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর জীবনমানের উন্নয়ন, নিজস্ব সংস্কৃতি সংরক্ষণ ও বিকাশ এবং তাদের অধিকার নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তারা।

বক্তারা বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য ১৯৯৭ সালের পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তির পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন প্রয়োজন। চুক্তির অবশিষ্ট বিষয়গুলো বাস্তবায়নের মাধ্যমে পাহাড়ে দীর্ঘমেয়াদি শান্তি ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তারা।

আলোচনা সভা শেষে রাজারমাঠ থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের করা হয়। বিভিন্ন ব্যানার, ফেস্টুন ও প্ল্যাকার্ড নিয়ে র‌্যালিতে অংশ নেন বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর নারী-পুরুষ। র‌্যালিটি বান্দরবান শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় রাজারমাঠে এসে শেষ হয়।

র‌্যালিতে বান্দরবানে বসবাসরত চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, বম, লুসাই, খুমীসহ ১১টি জনগোষ্ঠীর নারী-পুরুষ বর্ণিল ঐতিহ্যবাহী পোশাকে অংশ নেন। এতে পার্বত্য চট্টগ্রামের বৈচিত্র্যময় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও বিভিন্ন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর স্বতন্ত্র পোশাক-পরিচ্ছদের উপস্থিতি বিশেষভাবে ফুটে ওঠে।

  • অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
  • ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
  • ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল কন্টেন্টের দুনিয়ায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You may have missed