ফটিকছড়ির ধুরুং খাল থেকে ১৬ লাখ টাকার অবৈধ কাঠ ও বাঁশ উদ্ধার করল সেনাবাহিনী
![]()
জার্নাল প্রতিবেদক
চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার কাঞ্চননগর ইউনিয়নের বাইন্যাছড়া এলাকার ধুরুং খাল থেকে প্রায় ১৬ লাখ টাকা মূল্যের অবৈধভাবে মজুত করা পাহাড়ি কাঠ ও বাঁশ উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাতে ফটিকছড়ি-লক্ষীছড়ি সীমান্তবর্তী এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। পরে উদ্ধার করা কাঠ ও বাঁশ বুধবার (১৯ আগস্ট) সকালে চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
সেনাবাহিনী সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গুইমারা রিজিয়নের অধীন লক্ষীছড়ি জোনের আওতাধীন বাইন্যাছড়া আর্মি ক্যাম্পের সদস্যরা ধুরুং খাল এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানে খালের বিভিন্ন স্থানে অবৈধভাবে মজুত করে রাখা পাহাড়ি কাঠের সন্ধান পাওয়া যায়।
পরে তল্লাশি চালিয়ে বিভিন্ন প্রজাতির পাহাড়ি কাঠের ২৫০টি পিস এবং ৪০০টি বাঁশ উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা কাঠ ও বাঁশের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ১৬ লাখ টাকা বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।
অভিযান পরিচালনাকারী বাইন্যাছড়া আর্মি ক্যাম্প কমান্ডার ক্যাপ্টেন শাকিল বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ধুরুং খাল এলাকায় অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে মজুত করা কাঠ ও বাঁশগুলো উদ্ধার করা হয়েছে।
তিনি বলেন, উদ্ধার করা কাঠ ও বাঁশ পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। পাহাড়ি বনসম্পদ রক্ষা এবং অবৈধভাবে কাঠ পাচার ও মজুত বন্ধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পাহাড়ি এলাকায় নির্বিচারে গাছ কাটা ও অবৈধভাবে কাঠ মজুতের ফলে একদিকে যেমন বনসম্পদ ধ্বংস হচ্ছে, অন্যদিকে পরিবেশের ভারসাম্যও হুমকির মুখে পড়ছে। বিশেষ করে সীমান্তবর্তী দুর্গম এলাকাগুলোতে গোপনে কাঠ সংগ্রহ ও পাচারের প্রবণতা ঠেকাতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও বন বিভাগের সমন্বিত নজরদারি গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন তারা।
সেনাবাহিনীর অভিযানে বিপুল পরিমাণ কাঠ ও বাঁশ উদ্ধারের পর তা বন বিভাগের কাছে হস্তান্তরের ফলে অবৈধভাবে বনসম্পদ আহরণকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার পথ আরও সহজ হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
- অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
- ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
- ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল কন্টেন্টের দুনিয়ায়।