ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে বান্দরবানে জশনে জুলুসে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপন

ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে বান্দরবানে জশনে জুলুসে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপন

ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে বান্দরবানে জশনে জুলুসে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপন
“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

জার্নাল প্রতিবেদক

যথাযোগ্য ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে বান্দরবানে জশনে জুলুসের মাধ্যমে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) ১৪৪৮ হিজরি, ১২ রবিউল আউয়াল উদযাপন করা হয়েছে।

বুধবার (২৬ আগস্ট) সকালে গাউছিয়া কমিটি বাংলাদেশ, বান্দরবান জেলা শাখার উদ্যোগে শহরের কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠ থেকে বর্ণাঢ্য জশনে জুলুস বের করা হয়। এতে গাউছিয়া কমিটির নেতাকর্মী ছাড়াও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার ধর্মপ্রাণ মানুষ অংশ নেন।

জশনে জুলুসটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে বান্দরবান মুক্তমঞ্চে গিয়ে শেষ হয়। এ সময় অংশগ্রহণকারীরা মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা প্রকাশ করেন এবং তাঁর আদর্শ অনুসরণের আহ্বান জানান।

পরে বান্দরবান মুক্তমঞ্চে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও দৈনিক সচিত্র মৈত্রী পত্রিকার সম্পাদক অধ্যাপক ওসমান গণি।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন গাউছিয়া কমিটি বাংলাদেশ, বান্দরবান জেলা শাখার সভাপতি আছহাব উদ্দীন চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক তমিজ উদ্দীন চৌধুরী, জশনে জুলুস উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক নুরুল ইসলামসহ গাউছিয়া কমিটির নেতৃবৃন্দ এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।

ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে বান্দরবানে জশনে জুলুসে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপন

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) ছিলেন মানবতা, শান্তি, সহমর্মিতা, ভ্রাতৃত্ব ও সম্প্রীতির অনন্য আদর্শ। তাঁর জীবন ও শিক্ষাকে অনুসরণ করে ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজজীবনে শান্তি প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন আরও দৃঢ় করতে হবে।

তারা বলেন, মহানবী (সা.)-এর আদর্শ শুধু ধর্মীয় জীবনের জন্য নয়, মানবিক ও নৈতিক সমাজ গঠনের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ পথনির্দেশনা দেয়। তাঁর দেখানো পথে জীবন পরিচালনার পাশাপাশি দেশ ও জাতির কল্যাণে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

বক্তারা আরও বলেন, ধর্মীয় মূল্যবোধ ও মানবিক চেতনার বিকাশের মাধ্যমে সমাজে শান্তি, সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য আরও সুদৃঢ় করা সম্ভব। বিশেষ করে নতুন প্রজন্মকে মহানবী (সা.)-এর জীবন, আদর্শ ও মানবিক শিক্ষার সঙ্গে পরিচিত করে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তারা।

আলোচনা সভা শেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

  • অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
  • ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
  • ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল কন্টেন্টের দুনিয়ায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *