পাহাড়ে নারীর শ্রমে সংসার চলে, আর কিছু পুরুষের হাতে সন্ত্রাসের অস্ত্র!
![]()
জার্নাল প্রতিবেদক
পার্বত্য চট্টগ্রামের কিছু পাহাড়ি সমাজে নারীরা পরিবার ও অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ চালিকাশক্তি। কৃষিকাজ, জুমচাষ, বাজারজাতকরণ ও নানা পেশায় নারীদের কঠোর পরিশ্রমে সংসার পরিচালিত হয়। অথচ এই বাস্তবতার সুযোগ নিয়ে কিছু পুরুষ নিজেদের দায়িত্ব এড়িয়ে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
নারীরা যখন ঘাম ঝরিয়ে পরিবারের মুখে অন্ন তুলে দেন, তখন কিছু পুরুষ অস্ত্রের রাজনীতিতে জড়িয়ে সমাজে ভয়, অস্থিরতা ও নিরাপত্তাহীনতা সৃষ্টি করছে। এর ফলে শুধু সাধারণ মানুষ নয়, নারীদের শ্রমে গড়ে ওঠা পরিবার ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
নারীর শ্রম কোনো পুরুষের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের ঢাল হতে পারে না। নারীর সম্মান, শ্রম ও আত্মত্যাগের যথাযথ মূল্যায়ন করতে হলে সমাজে দায়িত্বশীলতা, শান্তি ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
উপজাতি সমাজ ব্যবস্থায় নারীরা উপার্জনের বাহন এ সুযোগে কিছু পুরুষরা সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে লিপ্ত।

আধুনিক বিশ্বে নারীরা তাদের অধিকার সমুন্নত রাখতে পারলেও পার্বত্য চট্টগ্রামের উপজাতি নারীরা দাসত্বের শিকল থেকে এখনো মুক্ত হতে পারেনি।
উপজাতি সমাজ ব্যবস্থায় নারীদের কাজ হচ্ছে পাহাড়ে পাহাড়ে জুম চাষ করে পুরুষের অন্য, বস্ত্র এবং বাসস্থানের প্রয়োজনীয়তা নিশ্চিত করা।
আর উপজাতি পুরুষদের মধ্যে যারা সরকারি বা বেসরকারি কোন চাকরিতে কর্মরত তারা ব্যতীত প্রায় সকলেই উপজাতি পুরুষ শসস্ত্র সন্ত্রসী গ্রুপের সদস্য কিংবা নারীবাজী,মাদক সেবন অথবা বন্য প্রাণী বানর ধরা নিয়ে ব্যস্ত থাকে।
সবচেয়ে বেশী নির্যাতনের স্বীকার হয় সদ্যবিবাহিতা মেয়েরা।উপজাতি সমাজে বিয়ের নামে মেয়েদের সামান্য অর্থের মাধ্যমে ক্রয় করে দাসীতে রুপান্তর করে।
একজন চাকমা উপজাতি নারী সকালে ঘুম থেকে উঠে সামান্য কিছু খেয়ে হোক আর না খেয়ে হোক সকালেই নেমে পড়ে কৃষি কাজে। গৃহস্থলির কাজ, কৃষি কাজ, সন্তান ও সংসার দেখাশোনা করার মতো সকল দায়িত্ব একজন উপজাতি নারীর জন্য বাধ্যতামূলক। অথচ, পুরুষেরা? সংসার বিমুখ পুরুষদের দেখা যায় নিশ্চিন্তে মদ, জুয়ার আড্ডায় ডুবে থাকতে। পাহাড়ে এমন কোন উপজাতি পরিবার পাবেন না, যেখানকার নারীরা কাঁদায় নেমে,রৌদ্র পুড়ে দিনরাত্রি পরিশ্রম করছেনা।

উপজাতি সুন্দরী মেয়েরা হয়ে থাকে তথাকথিত সুশীল সমাজের ভোগের পণ্য।সশস্ত্র সন্ত্রাসী গ্রুপের সদস্যরা নিজেদের অস্থিত্ব টিকিয়ে রাখতে বামপন্থি কথিত সুশীল সমাজের মনোরঞ্জনের জন্য সুন্দরী মেয়েদেরকে উপটৌকন হিসেবে পাঠিয়ে থাকে।ফলশ্রুতিতে কথিত সুশীল নামের প্রতারকরা উপজাতি সন্ত্রাসীদের দেশদ্রোহী, অসামাজিক সকল কার্যক্রমের পক্ষে সাফাই গাইতে থাকে।অথচ, তথাকথিত নারী জাগরনের অগ্রদূতগণ এসব চোখে দেখেন না।
আরেকটি মজার বিষয় হলো কি জানেন? উপজাতীয় সমাজ ব্যবস্থায় প্রশাসনিক বিচার নেই। তাদের সমাজ পতিরা যে বিচার করবেন তা তাদের মেনে নিতে হবে। একজন উপজাতীয় নারী ধর্ষিত হল। এই ধর্ষণ প্রকাশ পেলে বিচারের রায় হল ধর্ষককে একটি শুকর জরিমানা করা। যে শুকর পরবর্তীতে সমাজ পতিগন ভোগ করে থাকেন। এখানে ধর্ষিতা মূল্যহীন। তারপরও যদি একটি শুকর তার ভাগ্যে জোটে তবে তার বিনিময়ে তাকে ধর্ষণ বৈধ, ধর্ষক মুক্ত। সামান্য শুকরের বিনিময়ে বিক্রি হয় একজন উপজাতি নারীর জীবন যৌবন। একজন পতিতার চেয়েও মূল্যহীন করে রাখা হয়েছে উপজাতীয় নারীদের।
দেশের তথাকথিত নারীবাদীরা উপজাতি নারীদের কষ্টের কথা কোথাও তুলে ধরবেনা ।
- অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
- ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
- ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল কন্টেন্টের দুনিয়ায়।