কাপ্তাইয়ে ১৬ প্রাতিষ্ঠানিক পুকুরে ১৮৫ কেজি কার্পের পোনা অবমুক্ত

কাপ্তাইয়ে ১৬ প্রাতিষ্ঠানিক পুকুরে ১৮৫ কেজি কার্পের পোনা অবমুক্ত

কাপ্তাইয়ে ১৬ প্রাতিষ্ঠানিক পুকুরে ১৮৫ কেজি কার্পের পোনা অবমুক্ত
“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

জার্নাল প্রতিবেদক

রাঙামাটির কাপ্তাইয়ে ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের রাজস্ব বাজেটের আওতায় উপজেলার বিভিন্ন প্রাতিষ্ঠানিক পুকুর ও জলাশয়ে ১৮৫ কেজি কার্পজাতীয় মাছের পোনা অবমুক্ত ও বিতরণ করা হয়েছে। প্রাতিষ্ঠানিক জলাশয়গুলোর যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করার পাশাপাশি মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি এবং মৎস্যসম্পদের উন্নয়নের লক্ষ্যে এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকালে কাপ্তাই উপজেলা পরিষদ পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্ত করার মধ্য দিয়ে কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। কাপ্তাই উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নেলী রুদ্র আনুষ্ঠানিকভাবে পুকুরে পোনা অবমুক্ত করে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। পরে উপজেলার ১৬টি প্রাতিষ্ঠানিক পুকুর ও জলাশয়ের জন্য বরাদ্দকৃত মাছের পোনা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিনিধিদের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন কাপ্তাই উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান দিলদার হোসেন, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা এরশাদ বিন শহীদ, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. এনামুল হক হাজারী, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আহসান হাবীব, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা নাজমুল হাসান এবং কাপ্তাই প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ঝুলন দত্তসহ সংশ্লিষ্টরা।

কাপ্তাইয়ে ১৬ প্রাতিষ্ঠানিক পুকুরে ১৮৫ কেজি কার্পের পোনা অবমুক্ত

সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, মৎস্য অধিদপ্তরের রাজস্ব বাজেটের আওতায় ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরে উপজেলার বিভিন্ন প্রাতিষ্ঠানিক পুকুর ও জলাশয়ে মাছের উৎপাদন বাড়াতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে থাকা বা ব্যবহৃত এসব প্রাতিষ্ঠানিক জলাশয়কে পরিকল্পিতভাবে কাজে লাগিয়ে মৎস্যসম্পদের উৎপাদনশীলতা বাড়ানো এবং জলাশয়ের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করাও কর্মসূচির অন্যতম উদ্দেশ্য।

কাপ্তাই উপজেলা মৎস্য দপ্তরের উদ্যোগে আয়োজিত এ কার্যক্রমের আওতায় উপজেলার ১৬টি প্রাতিষ্ঠানিক পুকুরে মোট ১৮৫ কেজি কার্পজাতীয় মাছের পোনা অবমুক্ত ও বিতরণ করা হয়। এসব পোনা যথাযথভাবে পরিচর্যা ও ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে বড় করা হলে সংশ্লিষ্ট প্রাতিষ্ঠানিক জলাশয়গুলোতে মাছের উৎপাদন বাড়বে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

মৎস্যসম্পদের উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি প্রাতিষ্ঠানিক পুকুর ও জলাশয়ের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। একই সঙ্গে স্থানীয় পর্যায়ে মাছের উৎপাদন বাড়লে মৎস্যসম্পদের জোগান বৃদ্ধির পাশাপাশি জলাশয় ব্যবস্থাপনায়ও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

  • অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
  • ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
  • ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল কন্টেন্টের দুনিয়ায়।