পানছড়িতে আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস পালিত

পানছড়িতে আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস পালিত

পানছড়ি
“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

জার্নাল প্রতিবেদক

খাগড়াছড়ির পানছড়িতে “দীর্ঘ জীবনের জন্য নতুন ভাবনা” এবং “The Age of Longevity: Rethinking Systems for Longer Lives” প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস-২০২৬ পালিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের আয়োজনে দিবসটি উপলক্ষে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। এতে সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, প্রবীণ ব্যক্তি, সুধীজন ও গণমাধ্যমকর্মীরা অংশ নেন।

পানছড়ি উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা দ্বিপায়ন চাকমার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারহানা নাসরিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পানছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ডা. অনুতোষ চাকমা, প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শাহ আলম, ইউআরসি কর্মকর্তা মো. নুরুল করিম, উপজেলা আইসিটি কর্মকর্তা ববলী খীসা, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. তোফাজ্জল হোসেন, পানছড়ি প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ এম এ বাসার এবং প্রতিবন্ধী কল্যাণ সংঘের সভাপতি মো. হাসানুজ্জামান।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, প্রবীণরা সমাজের বোঝা নন; বরং তারা সমাজের জ্ঞান, অভিজ্ঞতা ও ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ ভাণ্ডার। জীবনের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা ও কর্মের মাধ্যমে তারা পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। তাই প্রবীণদের প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শনের পাশাপাশি তাদের স্বাস্থ্যসেবা, সামাজিক নিরাপত্তা এবং মর্যাদাপূর্ণ জীবন নিশ্চিত করা সবার দায়িত্ব।

বক্তারা বলেন, চিকিৎসাবিজ্ঞান ও জীবনযাত্রার উন্নতির ফলে মানুষের গড় আয়ু ক্রমেই বাড়ছে। ফলে দীর্ঘায়ুর এই সময়ে প্রবীণ জনগোষ্ঠীর প্রয়োজন ও চাহিদাকে গুরুত্ব দিয়ে স্বাস্থ্যসেবা, সামাজিক নিরাপত্তা, মানসিক সুস্থতা এবং সমাজে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণের সুযোগ নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

তারা আরও বলেন, পরিবার ও সমাজে প্রবীণদের অভিজ্ঞতা নতুন প্রজন্মের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ। তাদের জ্ঞান ও জীবন-অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগানোর পাশাপাশি বয়সের কারণে সৃষ্ট বিভিন্ন সমস্যা মোকাবিলায় সহায়ক পরিবেশ তৈরি করতে হবে। প্রবীণবান্ধব সমাজ গড়ে তুলতে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, পরিবার ও নাগরিক সমাজকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান বক্তারা।

আয়োজকরা জানান, প্রবীণদের অধিকার, মর্যাদা ও কল্যাণ সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং সমাজে তাদের ইতিবাচক অবদানকে স্বীকৃতি দেওয়াই আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস পালনের অন্যতম উদ্দেশ্য। একই সঙ্গে প্রবীণদের প্রতি দায়িত্বশীল আচরণ এবং তাদের জন্য নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ জীবন নিশ্চিত করতে সামাজিক সচেতনতা বাড়ানোও এ দিবসের গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য।

আলোচনা সভায় প্রবীণদের বিভিন্ন সমস্যা, তাদের স্বাস্থ্যসেবা ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণসহ সমাজে তাদের সক্রিয় অংশগ্রহণের সুযোগ তৈরির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

  • অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
  • ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
  • ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল কন্টেন্টের দুনিয়ায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *