দীঘিনালায় দুর্গাপূজার নিরাপত্তা নিয়ে সেনাবাহিনীর মতবিনিময় সভা
![]()
জার্নাল প্রতিবেদক
আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপন নিশ্চিত করতে খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় নিরাপত্তা সংক্রান্ত মতবিনিময় ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। দুর্গাপূজাকে ঘিরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, পূজামণ্ডপগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের মধ্যে সমন্বয় জোরদার করতে এ সভার আয়োজন করা হয়।
বুধবার (৭ অক্টোবর) সেনাবাহিনীর দীঘিনালা জোনে আয়োজিত সভায় সভাপতিত্ব করেন দীঘিনালা জোন অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. আল-আমিন।
সভায় দীঘিনালা জোনের উপ-অধিনায়ক মেজর শিহাবুন সাকিব রুশাদ, জোনের অন্যান্য কর্মকর্তা, উপজেলা প্রশাসনের প্রতিনিধি, পুলিশ, আনসার ও ভিডিপির প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

এ ছাড়া উপজেলার নয়টি পূজামণ্ডপ পরিচালনা কমিটির প্রতিনিধি, পাঁচ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরাসহ আনুমানিক ৫০ জন সভায় অংশ নেন।
সভায় আসন্ন দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে উপজেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, পূজামণ্ডপগুলোর নিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দায়িত্ব এবং বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে সমন্বয়ের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। পূজার সময় যাতে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি না হয়, সে জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে সতর্ক ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়।

সভা শেষে দীঘিনালা জোনের পক্ষ থেকে উপজেলার নয়টি পূজামণ্ডপ পরিচালনা কমিটির প্রতিনিধিদের হাতে নগদ আর্থিক সহায়তা তুলে দেওয়া হয়। এতে পূজামণ্ডপগুলোর ব্যবস্থাপনা ও আয়োজনে সংশ্লিষ্ট কমিটিগুলো কিছুটা সহায়তা পাবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।
জোন অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. আল-আমিন বলেন, “ধর্ম যার যার, উৎসব সবার।” আসন্ন দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন করতে দীঘিনালা জোনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, দীঘিনালা জোনের সেনাসদস্যরা নিয়মিত টহল পরিচালনার মাধ্যমে প্রতিটি পূজামণ্ডপের সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন। সেনাবাহিনীর পাশাপাশি পুলিশ, আনসারসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরাও মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালন করবেন।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, পূজামণ্ডপ পরিচালনা কমিটি, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতিনিধিদের নিয়ে আগাম এ ধরনের মতবিনিময় সভা আয়োজনের ফলে নিরাপত্তা পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সমন্বয় আরও কার্যকর হবে। একই সঙ্গে দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় পর্যায়ে সম্প্রীতি ও পারস্পরিক সহযোগিতার পরিবেশ বজায় রাখতেও এ উদ্যোগ ভূমিকা রাখবে।
- অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
- ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
- ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল কন্টেন্টের দুনিয়ায়।