ককশিট বুকে বেঁধে নাফ নদী সাঁতরে পাচারের চেষ্টা, কেওড়া বাগানে মিলল ২ লাখ পিস ইয়াবা

ককশিট বুকে বেঁধে নাফ নদী সাঁতরে পাচারের চেষ্টা, কেওড়া বাগানে মিলল ২ লাখ পিস ইয়াবা

ককশিট বুকে বেঁধে নাফ নদী সাঁতরে পাচারের চেষ্টা, কেওড়া বাগানে মিলল ২ লাখ পিস ইয়াবা
“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

জার্নাল প্রতিবেদক

মিয়ানমার থেকে নাফ নদী সাঁতরে বাংলাদেশে ইয়াবা পাচারের চেষ্টা করেছে একটি চক্র। এ সময় বুকে ককশিট বেঁধে নদী পার হয়ে আসা সন্দেহভাজন পাচারকারীরা সীমান্তে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্যদের উপস্থিতি টের পেয়ে ইয়াবার চালান পানিতে ফেলে পালিয়ে যায়। পরে নাফ নদীসংলগ্ন কেওড়া বাগান এলাকায় অভিযান চালিয়ে পানিতে ভাসমান অবস্থায় ২ লাখ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেছে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি)।

বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) রাতে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি)-এর অধীন নাজিরপাড়া বিওপির একটি আভিযানিক দল এ অভিযান পরিচালনা করে।

বিজিবি সূত্রে জানা যায়, নিজস্ব গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ৯ অক্টোবর মিয়ানমার থেকে নাফ নদী অতিক্রম করে টেকনাফ সদর ইউনিয়নের নাজিরপাড়া বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকা দিয়ে ইয়াবার একটি চালান বাংলাদেশে প্রবেশের সম্ভাব্য তথ্য পাওয়া যায়। এর ভিত্তিতে ব্যাটালিয়ন অধিনায়কের পরিকল্পনা ও নির্দেশনায় বিআরএম-৬ থেকে প্রায় এক কিলোমিটার পূর্বে বিএসপি পোস্টসংলগ্ন কেওড়া বাগান এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, রাত সাড়ে ৮টার দিকে বিজিবির আভিযানিক দল ওই এলাকায় কৌশলগত অবস্থান নেয়। পরে রাত আনুমানিক ৯টার দিকে কয়েকজন ব্যক্তিকে বুকে ককশিট ব্যবহার করে নাফ নদী সাঁতরে কেওড়া বাগানের দিকে আসতে দেখা যায়। বিজিবি সদস্যরা তাদের ধাওয়া করলে নিজেদের উপস্থিতি টের পেয়ে সন্দেহভাজন ব্যক্তিরা সঙ্গে থাকা মাদকের চালান পানিতে ফেলে দেয়। এরপর তারা পার্শ্ববর্তী কেওড়া বাগানের দিকে পালিয়ে যায়।

পরে বিজিবি সদস্যরা ওই এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে পানিতে ভাসমান অবস্থায় ২ লাখ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেন। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়েছে কি না, সে বিষয়ে বিজিবির দেওয়া তথ্যে উল্লেখ নেই।

টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. হানিফুর রহমান ভূঁইয়া জানান, সীমান্ত দিয়ে মাদকের অনুপ্রবেশ ও চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবির গোয়েন্দা নজরদারি, নিয়মিত টহল এবং বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে। দেশ ও যুবসমাজকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে রক্ষায় সীমান্ত এলাকায় মাদকবিরোধী কার্যক্রম আরও জোরদার রাখার কথাও জানান তিনি।

বিজিবি জানিয়েছে, উদ্ধার করা ইয়াবা ট্যাবলেটের বিষয়ে পরবর্তী আইনানুগ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। নাফ নদীকে ব্যবহার করে মাদক পাচারের এ প্রচেষ্টা ঠেকাতে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে নজরদারি ও সীমান্ত টহল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

  • অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
  • ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
  • ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল কন্টেন্টের দুনিয়ায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *