মানবপাচারকারীদের আস্তানায় যৌথবাহিনীর অভিযান, গুলি-খোসা ও পরিচয়পত্র উদ্ধার

মানবপাচারকারীদের আস্তানায় যৌথবাহিনীর অভিযান, গুলি-খোসা ও পরিচয়পত্র উদ্ধার

মানবপাচারকারীদের আস্তানায় যৌথবাহিনীর অভিযান, গুলি-খোসা ও পরিচয়পত্র উদ্ধার
“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

জার্নাল প্রতিবেদক

কক্সবাজারের টেকনাফে মানবপাচারকারীদের আস্তানার সন্ধানে পাহাড়ি এলাকায় অভিযান চালিয়েছে যৌথবাহিনী। সেনাবাহিনী, এপিবিএন ও এসআরবির সমন্বয়ে পরিচালিত এ অভিযানে কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। তবে ঘটনাস্থল থেকে ছয় রাউন্ড গুলি, গুলির খালি খোসা, জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি), ড্রাইভিং লাইসেন্সসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।

শনিবার (৭ নভেম্বর) সকাল আনুমানিক ৬টার দিকে টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের নয়াপাড়া রেজিস্টার্ড রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সি-ব্লকসংলগ্ন পাহাড়ে এ অভিযান চালানো হয়।

হ্নীলা রঙ্গীখালী আর্মি ক্যাম্পের ক্যাম্প কমান্ডার মেজর মাহবুবের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে সেনাবাহিনী, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ৬৪ ব্যাটালিয়ন, এসআরবি-১৫-এর সদস্য, পুলিশ ও স্থানীয় লোকজন অংশ নেন।

অভিযান চলাকালে যৌথবাহিনীর সদস্যরা রোহিঙ্গা ক্যাম্প-২৪-এর আইওএম (IOM) হাসপাতালসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান নেন। পাশাপাশি ড্রোনের সাহায্যে পাহাড়ি এলাকায় তল্লাশি ও নজরদারি চালানো হয়।

এদিকে, একই দিন নয়াপাড়া রেজিস্টার্ড রোহিঙ্গা ক্যাম্পের পশ্চিম পাশে সেনাবাহিনী, এপিবিএন ও এসআরবির সমন্বয়ে ৩৫ সদস্যের আরেকটি দল অভিযান পরিচালনা করে। এ অভিযানেও ডাকাত দলের কোনো সন্দেহভাজন সদস্যকে আটক করা সম্ভব হয়নি। পরে মানবপাচারকারীদের ব্যবহৃত আস্তানা থেকে ছয় রাউন্ড গুলি, গুলির খালি খোসা, একটি জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি), একটি ড্রাইভিং লাইসেন্স এবং রান্নাবান্নার কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন আসবাবপত্র ও সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।

টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম জানান, শনিবার সকালে রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্পসংলগ্ন পশ্চিম পাহাড়ে মানবপাচারকারীদের আস্তানার সন্ধানে যৌথবাহিনী অভিযান চালায়। অভিযানে কোনো মরদেহ পাওয়া যায়নি এবং কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

তিনি আরও জানান, আপাতত অভিযান শেষ করা হলেও সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রয়োজনে আবারও অভিযান পরিচালনা করা হবে।

উল্লেখ্য, গত ৪ নভেম্বর বিকেলে টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের রঙ্গীখালী পাহাড়ে মানবপাচারকারীদের আস্তানায় অভিযান চালানোর সময় সন্ত্রাসীদের গুলিতে সেনাবাহিনীর এক সদস্য নিহত হন। ওই ঘটনায় যৌথবাহিনী ৫৬ জন রোহিঙ্গা ও বাংলাদেশি জিম্মিকে উদ্ধার করে। একই সঙ্গে মানবপাচারকারী চক্রের ছয় সদস্যকে আটক করা হয়। ঘটনাস্থল থেকে একটি পিস্তল, একটি দেশীয় তৈরি বন্দুক ও চার রাউন্ড গুলিও উদ্ধার করা হয়েছিল।

  • অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
  • ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
  • ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল কন্টেন্টের দুনিয়ায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *