একুশের প্রথম প্রহরে ভাষা শহীদদের জাতির ফুলের শ্রদ্ধা
![]()
নিউজ ডেস্ক
একুশের প্রথম প্রহরে গভীর শ্রদ্ধায় ভাষা শহীদদের স্মরণ করেছে জাতি। তবে এবার করোনা ঝুঁকি মোকাবিলায় সীমিত করা হয়েছে রাষ্ট্রীয় আয়োজন। কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে প্রথম প্রহরে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা জানানোর মধ্য দিয়ে শুরু হয় আনুষ্ঠানিকতা।
প্রতি বছর একুশের প্রথম প্রহরে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদনের মধ্য দিয়েই শুরু হয় শ্রদ্ধা জানানোর পর্ব। তবে করোনা মহামারির মধ্যে এ বছর রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের পক্ষে ফুল দেন, সামরিক সচিব মেজর জেনারেল এস এম সালাহউদ্দিন ইসলাম। আর প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন- সামরিক সচিব মেজর জেনারেল নকিব আহমদ চৌধুরী।
অন্যদিকে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার পক্ষে দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের নেতৃত্বে পাঁচ জ্যেষ্ঠ নেতা শ্রদ্ধা জানান। পরে জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর পক্ষে শ্রদ্ধা জানান সংসদের সার্জেন্ট অ্যাট আর্মস। সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ, নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল শাহীন ইকবাল এবং বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল মাসিহুজ্জামান সেরনিয়াবাত শ্রদ্ধা জানান ভাষা শহীদদের।
মন্ত্রিসভার সদস্যদের মধ্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল, পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আবদুল মোমেন, শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনিও প্রথম প্রহরে শ্রদ্ধা জানান। এছাড়া ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র ফজলে নূর তাপস এবং ঢাকায় বিভিন্ন দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত ও হাই কমিশনার শহীদ মিনারে ফুল দেন। সংসদের প্রধান বিরোধী দল জাতীয় পার্টির পক্ষে চেয়ারম্যান জিএম কাদের দলের নেতাদের নিয়ে শ্রদ্ধা জানান।পুলিশ মহাপরিদর্শক বেনজীর আহমেদ এবং র্যাবের মহাপরিচালক চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধারাও শ্রদ্ধা জানান, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির প্রধান সমন্বয়ক ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী। সহকর্মীদের নিয়ে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক আখতারুজ্জামান।
রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা শ্রদ্ধা জানানোর পর সারিবদ্ধভাবে ফুল দেন বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ, রাজনৈতিক দল, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতারা। করোনা পরিস্থিতিতে জনসমাগম এড়াতে ব্যক্তি পর্যায়ে একসঙ্গে দুইজন এবং সংগঠন ও প্রতিষ্ঠানের পক্ষে পাঁচজন ফুল দিতে পারছেন। এ ক্ষেত্রে সবাইকে মাস্ক পরা ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে হচ্ছে।