মিয়ানমারের সেনাদের ফিরিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে - Southeast Asia Journal

মিয়ানমারের সেনাদের ফিরিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে

“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

নিউজ ডেস্ক

মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ সংঘাতের কারণে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা দেশটির বিভিন্ন বাহিনী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের ফিরিয়ে নিতে নৌবাহিনীর একটি জাহাজ পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে জান্তা সরকার।

শনিবার (১০ ফেব্রুয়ারি) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কয়েকজন কর্মকর্তা এ তথ্য জানিয়েছেন। সবকিছু ঠিক থাকলে খুব শীঘ্রই জাহাজটি কক্সবাজার উপকূলে পৌঁছাবে বলে তারা জানান তিনি।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মিয়ানমার উইংয়ের মহাপরিচালক মিয়া মুহাম্মদ মাইনুল কবির কালবেলাকে বলেন, পালিয়ে আসা সেনা ও তাদের পরিবারের সদস্যদের খুব দ্রুতই ফিরিয়ে নিবে মিয়ানমার। তাদের সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ে এ বিষয়ে আমাদের সাথে আলোচনা হয়েছে। সেনাদের ফিরিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। খুব দ্রুতই তারা জাহাজ পাঠাবে।

তবে ঠিক কবে নাগাদ এই প্রক্রিয়া শুরু হবে সেটি নিশ্চিত করে বলেননি তিনি। কূটনৈতিক চিঠির মাধ্যমে মিয়ানমার খুব দ্রুতই জাহাজ পাঠানোর কথা জানিয়েছে বলে জানান এই কর্মকর্তা।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, যে জাহাজটি আসবে সেটি একটি ট্রুপ ক্যারিয়ার৷ যেটির সক্ষমতা প্রায় ৫০০ জন। বাংলাদেশে আশ্রিত সবাইকে একটি জাহাজেই পাঠানো সম্ভব।

বর্তমানে মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা দেশটির বিভিন্ন বাহিনী ও তাদের পরিবারের সদস্যসহ প্রায় সাড়ে তিনশ নাগরিককে টেকনাফের দুটি স্কুলে রাখা হয়েছে। তারা বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তত্ত্বাবধানে রয়েছেন।

তাদের ফিরিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়া সম্পর্কে জানতে চাইলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মন্ত্রণালয়ের আরেক কর্মকর্তা বলেন, আগে তাদের সবাইকে কক্সবাজার আনতে হবে। কারণ জাহাজটি অনেক বড় হওয়ায় সেটি উপকূলে ভিড়তে পারবে না। নিরাপত্তা মেনে ছোট ছোট নৌকায় তাদের জাহাজের কাছে নেওয়া হবে।

এর আগে গত বুধবার (৭ ফেব্রুয়ারি) পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেনের সভাপতিত্বে মন্ত্রণালয়ে সীমান্তে নিরাপত্তাবিষয়ক এক আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক হয়।

বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, পালিয়ে আসা সেনা ও অন্যদের বাংলাদেশ আকাশপথে ফেরত পাঠানোর চিন্তা করছে। কিন্তু মিয়ানমার সেটিতে রাজি হয়নি। তারা সমুদ্রপথে ফেরত নিতে চায়।

এদিকে নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে তাদের গভীর সমুদ্র অঞ্চল দিয়ে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে বলে গত বৃহস্পতিবার (৯ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রণালয়ের সাপ্তাহিক মিডিয়া ব্রিফিংয়ে জানান মুখপাত্র সেহেলী সাবরিন।

  • অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
  • ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।