পাহাড়ে পর্যটকদের কান ধরে উঠবস ও হুমকি দিচ্ছে কারা?

পাহাড়ে পর্যটকদের কান ধরে উঠবস ও হুমকি দিচ্ছে কারা?

পাহাড়ে পর্যটকদের কান ধরে উঠবস ও হুমকি দিচ্ছে কারা?
“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

নিউজ ডেস্ক

মেঘ ছোঁয়ার স্বপ্ন নিয়ে রাঙামাটির ফুরোমোন পাহাড়ে যাওয়া পর্যটকদের কপালে জুটল চরম লাঞ্ছনা। সশস্ত্র একটি গোষ্ঠীর হাতে পর্যটকদের কান ধরে উঠবস করানো এবং প্রাণনাশের হুমকির একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) ডিফেন্স রিসার্চ ফোরাম (ডিআরএফ) নামে ফেসবুকে পেজে একটি ভিডিও শেয়ার করে লিখেছে, পার্বত্য চট্টগ্রামে রাঙ্গামাটির ফুরোমন পাহাড়ে যাওয়ায় একদল বাঙালি পর্যটককে কান ধরে উঠবস এবং হুমকি দিয়েছে পাহাড়ি একটি উগ্রবাদী গোষ্ঠী।

‘মেঘ দেখার জন্য ফুরোমন পাহাড়ে সারাদেশ থেকে শীত মৌসুমে পর্যটকরা ভিড় জমান। কিন্তু পাহাড়ি উগ্রবাদী গোষ্ঠীগুলো এটিকে বিহারের সম্পত্তি দেখিয়ে এই পাহাড়ে বাঙালিদের আসা যাওয়ার প্রতি নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। সর্বশেষ কান ধরে ওঠবসের মত ঘৃণ্য ঘটনা ঘটিয়েছে তারা।’

এদিকে, রাঙামাটির ফুরমোন পাহাড়ে পর্যটকদের ছিনতাই, হেনস্থা ও চাঁদাবাজির প্রতিবাদে শুক্রবার বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র পরিষদ (পিসিসিপি)।

এ ঘটনার জন্য আঞ্চলিক সশস্ত্র গোষ্ঠী ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টকে (ইউপিডিএফ) দায়ী করা হয়েছে। সমাবেশে অবিলম্বে রাঙামাটিসহ তিন পার্বত্য জেলার সকল পর্যটন কেন্দ্রগুলোকে সন্ত্রাসমুক্ত করার দাবি জানানো হয়।

বক্তারা জানান, ফুরমোন পাহাড়কে ইউপিডিএফের সশস্ত্র গোষ্ঠী অবৈধভাবে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রেখে একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করছে। পাহাড়ে ঘুরতে আসা সাধারণ পর্যটকদের গতিরোধ করে তল্লাশি চালানো, মোবাইল ছিনতাই, চাঁদা দাবি এবং নারী পর্যটকদের সঙ্গে অশোভন আচরণের মতো ঘটনা এখন নিত্যনৈমিত্তিক বিষয়ে পরিণত হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো চায় না এখানে পর্যটন বিকশিত হোক। পর্যটন বাড়লে প্রশাসনের নজরদারি বাড়বে এবং তাদের চাঁদাবাজি ও দখলদারিত্বের পথ বন্ধ হবে— এই ভয় থেকেই পরিকল্পিতভাবে তারা আতঙ্ক সৃষ্টি করছে।

  • অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
  • ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
  • ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল  কন্টেন্টের দুনিয়ায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *