বাংলাদেশ–জাপান প্রতিরক্ষা সহযোগিতায় নতুন অধ্যায়, সরঞ্জাম ও প্রযুক্তি হস্তান্তর চুক্তি

বাংলাদেশ–জাপান প্রতিরক্ষা সহযোগিতায় নতুন অধ্যায়, সরঞ্জাম ও প্রযুক্তি হস্তান্তর চুক্তি

বাংলাদেশ–জাপান প্রতিরক্ষা সহযোগিতায় নতুন অধ্যায়, সরঞ্জাম ও প্রযুক্তি হস্তান্তর চুক্তি
“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

নিউজ ডেস্ক

বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ও প্রযুক্তি হস্তান্তর সম্পর্কিত একটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ (এএফডি) এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে আজ মঙ্গলবার ঢাকা সেনানিবাসে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার ও জাপান সরকারের মধ্যে এ চুক্তি স্বাক্ষর সম্পন্ন হয়।

চুক্তিতে বাংলাদেশের পক্ষে স্বাক্ষর করেন সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার লেফটেন্যান্ট জেনারেল এস এম কামরুল হাসান এবং জাপানের পক্ষে স্বাক্ষর করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত হিজ এক্সিলেন্সি সাইডা শিনিচি।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই চুক্তির মাধ্যমে দুই দেশের কৌশলগত অংশীদারিত্ব ও দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব আরও দৃঢ় ও উচ্চতর পর্যায়ে উন্নীত হলো।

সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের সূত্র জানায়, ২০২৩ সাল থেকে উভয় দেশের মধ্যে নিবিড় ও ধারাবাহিক আলোচনা ও প্রচেষ্টার ফলস্বরূপ এই প্রতিরক্ষা চুক্তিটি স্বাক্ষর সম্ভব হয়েছে। এটি দুই দেশের পারস্পরিক আস্থা, সমন্বিত দৃষ্টিভঙ্গি এবং সহযোগিতার প্রতিফলন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের দূরদর্শী ও কার্যকর কূটনৈতিক উদ্যোগের ফল হিসেবেও চুক্তিটিকে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

বাংলাদেশ–জাপান প্রতিরক্ষা সহযোগিতায় নতুন অধ্যায়, সরঞ্জাম ও প্রযুক্তি হস্তান্তর চুক্তি

সূত্র আরও জানায়, এই চুক্তি বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা আধুনিকীকরণ প্রক্রিয়াকে আরও গতিশীল করবে। জাতিসংঘ সনদের নীতিমালার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সম্পাদিত এ চুক্তির মাধ্যমে উন্নত প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ও প্রযুক্তি অধিগ্রহণ, যৌথ গবেষণা ও উন্নয়নের জন্য একটি প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো গড়ে উঠবে। এর ফলে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় প্রতিরক্ষা সক্ষমতা আরও সুদৃঢ় হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

চুক্তি স্বাক্ষরের ফলে দুই দেশের মধ্যে সামরিক বিশেষজ্ঞ বিনিময় বৃদ্ধি পাবে, যা ভবিষ্যৎ প্রতিরক্ষা পরিকল্পনা ও সক্ষমতা উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশ ও জাপানের কৌশলগত অংশীদারিত্ব আরও গভীর হবে, যা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও বৈশ্বিক নিরাপত্তায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

প্রসঙ্গত, প্রতিরক্ষা খাতে এ ধরনের দ্বিপাক্ষিক চুক্তি বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের পাশাপাশি আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর সশস্ত্র বাহিনী গঠনের লক্ষ্য বাস্তবায়নে একটি উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

  • অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
  • ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
  • ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল  কন্টেন্টের দুনিয়ায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You may have missed