সেনাবাহিনীকে একপর্যায়ে মাঠ থেকে ‘প্রত্যাহার করতে হবে’: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সেনাবাহিনীকে একপর্যায়ে মাঠ থেকে ‘প্রত্যাহার করতে হবে’: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সেনাবাহিনীকে একপর্যায়ে মাঠ থেকে ‘প্রত্যাহার করতে হবে’: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

নিউজ ডেস্ক

ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা নিয়ে মাঠে থাকা সেনাবাহিনীকে ‘প্রত্যাহার করা প্রয়োজন বলে’ মনে করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

তবে কবে নাগাদ তাদের প্রত্যাহার করা হবে সে বিষয়ে নির্দিষ্ট দিনক্ষণ জানাননি সরকারের এই মন্ত্রী।

রোববার সচিবালয়ে নিজের মন্ত্রণালয়ে ফায়ার সার্ভিস সিভিল ডিফেন্সের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।

নির্বাচিত সরকার দেশ পরিচালনায় দায়িত্ব নেওয়ার পর সেনাবাহিনীকে কবে মাঠ থেকে প্রত্যাহার করা হবে জানতে চাইলে সালাহউদ্দিন বলেন, “নির্বাচনের ১৫ দিন পর পর্যন্ত মনে হয় তাদের একটা নির্দেশনা ছিল এবং নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকেও অনুরোধ ছিল। এটা এখন শেষ হয়ে গেছে সম্ভবত। কিন্তু সরকারের আগের নিদর্শনা অনুসারে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সশস্ত্র বাহিনী যেভাবে মাঠে ছিল ওই ম্যাজিস্ট্রেসি পাওয়ার, সেভাবেই আছে। এই মেয়াদটা কবে শেষ হবে জানা নেই, দেখতে হবে।”

সেনাবাহিনীর নিজস্ব কাজকর্মের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, “তারাও আর মাঠে দীর্ঘদিন থাকতে চায় না। কারণ অনেক সমস্যা আছে তাদের ট্রেনিং, ট্রেনিং দিতে পারছে না বা অন্যান্য কোনোখানে সমস্যা আছে। কিন্তু সরকারি দায়িত্ব নেওয়ার পরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কতটুকু কী উন্নয়ন হয়েছে, কী করা যায় সেটা একটা সমন্বিতভাবে আমাদেরকে দেখতে হবে।”

তিনি বলেন, “এ মহূর্তে আমি বলতে পারছি না তাদেরকে কবে প্রত্যাহার করা হবে, তবে অবশ্যই সেনাবাহিনীকে মাঠ পর্যায়ে থেকে এক সময় প্রত্যাহার করা প্রয়োজন, করতে হবে।”

ছাত্র-জনতার আন্দোলনে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার আগে থেকে সারাদেশে মোতায়েন ছিল সেনাবাহিনী।

২০২৪ সালের ৫ অগাস্ট সরকার পতনের পর কারফিউ তোলা হলেও বিপর্যস্ত আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে সেনা সদস্যদের মাঠ পর্যায়ে রেখে দেওয়া হয়। পরে যৌথবাহিনী অভিযানেও নামে।

উদ্ভূত আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে গত বছরের ১৭ সেপ্টেম্বর বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা দেওয়া হয় সশস্ত্র বাহিনীকে। পরে নৌ ও বিমান বাহিনীসহ কমিশন কর্মকর্তাদেরও একই ক্ষমতা দিয়ে পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

এরপর দফায় দফায় তাদের ক্ষমতার মেয়াদ বাড়ানো হয়।

এরপর ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ঘিরে নির্বাচন কমিশনের অনুরোধে অন্যান্য বাহিনীর সঙ্গে মাঠে থাকে সেনাবাহিনী।

  • অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
  • ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
  • ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল  কন্টেন্টের দুনিয়ায়।