রাঙামাটির ফিলিং স্টেশনগুলোতে ভিড়, দীর্ঘ অপেক্ষায়ও মিলছে না তেল

রাঙামাটির ফিলিং স্টেশনগুলোতে ভিড়, দীর্ঘ অপেক্ষায়ও মিলছে না তেল

রাঙামাটির ফিলিং স্টেশনগুলোতে ভিড়, দীর্ঘ অপেক্ষায়ও মিলছে না তেল
“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

নিউজ ডেস্ক

রাঙামাটিতে টানা তৃতীয় দিনের মতো জ্বালানি তেলের সংকটের কারণে ফিলিং স্টেশনে উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে। প্রশাসনের উদ্যোগেও স্বাভাবিক হয়নি জ্বালানি তেলের সরবরাহ। মঙ্গলবার সকালে রাঙামাটি শহরের ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি তেলের জন্য দীর্ঘ লাইন দেখা যায়। দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করেও তেল না পাওয়ার অভিযোগ করেন ক্রেতারা।

রাঙামাটি শহরের সাতটি ফুয়েল পাম্প থাকলেও মাত্র দুটিতে ডিজেল ও একটিতে অকটেন পাওয়া যাচ্ছে। পাম্পগুলো ঘুরে দেখা যায় অনেক পাম্পে ‘তেল নাই’ লেখা সাঁটিয়ে বিক্রি বন্ধ রাখা হয়েছে। এদিকে শনিবার থেকে খুচরা দোকানগুলোতে তেল সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। এতে চরম সংকটে পড়েছে জেলার সঙ্গে ছয়টি উপজেলার নৌ যোগাযোগ।

অন্যদিকে, ডিজেল সংকটে চাষের সেচের সমস্যার কথা জানান কৃষকরা। পর্যাপ্ত জ্বালানি তেল না পাওয়ায় দূরপাল্লার পণ্যবাহী পরিবহন বন্ধ থাকায় ভোগান্তিতে পড়েছেন অনেকে। খুচরা জ্বালানি তেলের দোকানে মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন যানবাহনের চালকরা জ্বালানি নিতে এসে ফিরে যাচ্ছেন। ক্ষোভ প্রকাশ করছেন তারা।

পাম্পগুলোতে তেলের জন্য দীর্ঘ লাইনে থেকেও চাহিদামতো জ্বালানি পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানান গ্রাহকরা। সোমবার পাম্পগুলো ঘুরে দেখা যায়, অনেক পাম্পে ‘তেল নাই’ লেখা সাঁটিয়ে বিক্রি বন্ধ রাখা হয়েছে। খুচরা বিক্রেতারা অভিযোগ করে জানান, চট্টগ্রাম থেকে সরবরাহ না থাকায় খুচরা জ্বালানি তেল বিক্রির দোকানগুলোতে রবিবার থেকে তেল না থাকায় বিক্রি বন্ধ রয়েছে।

জ্বালানি তেল সংকটে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন যানবাহনের চালকরা। সরকারের নির্ধারিত পরিমাণ তেলও দিচ্ছে না পাম্পগুলো। পণ্য পরিবহনের ট্রাকগুলোতে চাহিদামতো তেল না পাওয়ার অভিযোগ করছেন চালকরা।

অন্যদিকে, রাঙামাটি জেলার ছয়টি উপজেলা নৌপথই একমাত্র যোগাযোগ ব্যবস্থা। উপজেলা থেকে কৃষকরাও এসেছেন তেল সংগ্রহে। দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও চাহিদামতো মিলছে না জ্বালানি তেল। খুচরা জ্বালানি তেলের দোকানে মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন যানবাহনের চালকরা জ্বালানি নিতে এসে ফিরে যাচ্ছেন। ক্ষোভ প্রকাশ করছেন তারা।

তরমুজ নিয়ে চট্টগ্রাম যাওয়ার জন্য তেলের জন্য এ পাম্প থেকে ও পাম্পে ঘুরছেন মো. সাহেদ আলী। তিনি জানান, সকালে কিছু পাম্পে অল্প তেল দিলেও দুপুরের পর আর কেউ তেল দিচ্ছে না। এখন গাড়িতে তরমুজ নিয়ে ঘুরছি পথে পথে।

রাঙামাটির জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী বলেন, ‘চট্টগ্রাম থেকে খুরচা দোকানগুলোতে তেল দিচ্ছে না। বড় বড় পাম্পগুলোতে রেশনিং করে দিচ্ছে। এটা তো আমাদের হাতে নেই। তবে রাঙামাটিতে যারা তেল নিয়ে কেউ মজুত করতে না পারে সেই বিষয়ে আমরা নজরদারি করছি। শৃঙ্খলা ফেরাতে পাম্পগুলোতে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।’

  • অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
  • ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
  • ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল  কন্টেন্টের দুনিয়ায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You may have missed