সীমান্তে কাঁটাতার বসালে ক্ষতির মুখে পড়তে পারে স্থানীয়রা, মুখ্যমন্ত্রীকে মানবাধিকার কর্মীর চিঠি
![]()
নিউজ ডেস্ক
ক্ষমতায় এসেই বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে কাঁটাতার বসানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি সরকার। এই কাঁটাতার স্থাপনে ভারতের সীমান্তবর্তী মানুষ ক্ষতির মুখে পড়তে পারেন বলে এক চিঠিতে উল্লেখ করেছেন কিরীটি রায় নামের একজন মানবাধিকার কর্মী।
মুখ্যমন্ত্রীকে লেখা এক চিঠিতে তিনি এ দাবি করেন।
তিনি চিঠিতে বলেন, ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে কোনো স্থায়ী নির্মাণ গাঁথা সম্ভব নয়। তাই ভারত বাংলাদেশ থেকে অনুপ্রবেশ ও চোরাকারবার রোধে কাঁটাতার তৈরি করার সিদ্ধান্ত নেয়। স্বাভাবিকভাবেই এই কাঁটাতার বসেছে সীমান্ত থেকে ভারতের অভ্যন্তরে।
চিঠিতে তিনি দাবি করেন, কাঁটাতার ও বিএসএফের সীমান্ত চৌকি ভারতের অভ্যন্তরে থাকায় কাঁটাতারের অপর পাশে থাকা ভারতের কৃষকদের জমিতে চাষাবাদ করতে ভোগান্তি পোহাতে হয়। তিনি আরও জানান, সীমান্তের এই অংশে ভারত সরকারের কোনো জমি নেই, বরং জমিগুলো কৃষকের।
অধিগ্রহণ করা হলে কৃষক যেন ন্যায্য মূল্য পান, সে দাবিও করেছেন তিনি।
চিঠিতে তিনি বলেন, সীমান্তে বসবাসকারী লাখ লাখ ভারতীয় বাসিন্দা বীতশ্রদ্ধ হয়ে পরিবর্তন চেয়ে বিজেপি সরকারকে ক্ষমতায় এনেছে, তাদের জন্য ভাবার সময় এসেছে। পূর্বতন সরকারের আমলে ওদের লোকেরা সীমান্ত পারাপারের বখরা ভাগাভাগিতে ব্যস্ত থাকত; আশা করব, এই সরকার ওই দোষে দুষ্ট হবে না।
পূর্বে রাজ্য সরকারের প্রশাসন সীমান্তবাসীদের অভিযোগ নিয়ে নিষ্ক্রিয় থাকত উল্লেখ করে তিনি চিঠিতে দাবি করেন, বিএসএফ কাঁটাতারের এপাশে পিচ রাস্তায় তাদের কর্তব্য পালন করে। ফলে সীমান্তে যারা বাস করে, তাদের ফসল লুট, গবাদিপশু ডাকাতি, চুরি, এমনকি মানুষ অপহরণ প্রভৃতি ঘটনায় নীরব থাকা ছাড়া উপায় ছিল না।
চিঠিতে তিনি আরও বলেন, ভারত সরকারের সীমান্ত এলাকা উন্নয়ন প্রকল্পে প্রতি বছর কোটি কোটি টাকা আসে এবং যথারীতি তা নয়ছয় হয়। এই সরকারের হাতে সম্ভবত এখন পর্যাপ্ত অর্থ নেই।
ভারতের সীমান্ত এলাকা উন্নয়ন কর্মসূচির অর্থ দিয়ে কৃষকের কাছ থেকে জমি আইনানুসারে অধিগ্রহণ করার দাবি জানান কিরীটি রায়।
- অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
- ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
- ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল কন্টেন্টের দুনিয়ায়।