চট্টগ্রামে চুরির অভিযোগে জনতার হাতে তিন ইউপিডিএফে সন্ত্রাসী আটক

চট্টগ্রামে চুরির অভিযোগে জনতার হাতে তিন ইউপিডিএফে সন্ত্রাসী আটক

চট্টগ্রামে চুরির অভিযোগে জনতার হাতে তিন ইউপিডিএফে সন্ত্রাসী আটক
“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

নিউজ ডেস্ক

চট্টগ্রামের নিউমরিং এলাকায় চুরির অভিযোগে তিন যুবককে আটক করেছে স্থানীয় জনতা। মঙ্গলবার (১৬ জুন) রাতে এ ঘটনা ঘটে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

আটক ব্যক্তিরা হলেন রিতেন চাকমা, জুয়েল চাকমা ও জন্টু চাকমা। স্থানীয়দের দাবি, একটি চুরির ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে তাদের আটক করা হয়। তারা সবাই পাহাড়ের আঞ্চলিক সশস্ত্র সন্ত্রাসী সংগঠন ইউপিডিএফের সক্রিয় সদস্য।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আটক রিতেন চাকমা বন্দর থানা এলাকার একটি শ্রমিক সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন এবং তার বাড়ি খাগড়াছড়ি জেলার দিঘীনালা উপজেলায়। অপর দুইজনের মধ্যে জুয়েল চাকমার বাড়ি রাঙামাটির নানিয়ারচর উপজেলার বাকছড়ি এলাকায় এবং জন্টু চাকমার বাড়ি রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার বঙ্গলতুলি (মারিশ্যা) এলাকায়।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে এলাকাটিতে বিভিন্ন ধরনের চুরির ঘটনা নিয়ে উদ্বেগ ছিল। সর্বশেষ ঘটনার পর স্থানীয়রা সন্দেহভাজন হিসেবে ওই তিনজনকে আটক করেন।

ঘটনার পর আটক ব্যক্তিদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

এদিকে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

তদন্ত শেষ হওয়ার আগে আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের সত্যতা সম্পর্কে চূড়ান্তভাবে কিছু বলা সম্ভব নয়। বিষয়টি নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্ত চলমান রয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

একটি সূত্র বলছে, ইউপিডিএফের সঙ্গে সম্পৃক্ত কিছু সক্রিয় সদস্য ও কর্মী দীর্ঘদিন ধরে দেশের বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে ছদ্মবেশে অবস্থান করছে। বিশেষ করে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও কুমিল্লার বিভিন্ন গার্মেন্টস, কল-কারখানা এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে সাধারণ শ্রমিক বা কর্মচারী পরিচয়ে তারা আত্মগোপন করে রয়েছে বলে জানা গেছে।

সূত্রগুলো বলছে, পার্বত্য চট্টগ্রামে কোনো ধরনের অস্থিতিশীল পরিস্থিতি, সংঘাত বা সাংগঠনিক তৎপরতা জোরদারের প্রয়োজন দেখা দিলে এসব ব্যক্তিকে দ্রুত পাহাড়ে ফিরিয়ে আনা হয়। এরপর তাদের বিভিন্ন সাংগঠনিক কার্যক্রমের পাশাপাশি অবৈধ ও সশস্ত্র কর্মকাণ্ডে ব্যবহার করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট মহলের ধারণা, এ ধরনের নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সংগঠনটি একদিকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজর এড়িয়ে সদস্যদের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে রাখতে সক্ষম হচ্ছে, অন্যদিকে প্রয়োজনের সময় দ্রুত জনবল সংগ্রহ করে নিজেদের কার্যক্রম পরিচালনার সুযোগ পাচ্ছে।

  • অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
  • ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
  • ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল  কন্টেন্টের দুনিয়ায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *