পরিচ্ছন্ন ও দূষণমুক্ত পরিবেশ গঠনে সেনাবাহিনীর রাঙামাটি রিজিয়নের প্লাস্টিক বর্জ্য সংগ্রহ অভিযান

পরিচ্ছন্ন ও দূষণমুক্ত পরিবেশ গঠনে সেনাবাহিনীর রাঙামাটি রিজিয়নের প্লাস্টিক বর্জ্য সংগ্রহ অভিযান

পরিচ্ছন্ন ও দূষণমুক্ত পরিবেশ গঠনে সেনাবাহিনীর রাঙামাটি রিজিয়নের প্লাস্টিক বর্জ্য সংগ্রহ অভিযান
“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

নিউজ ডেস্ক

পরিবেশ সংরক্ষণ, পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিতকরণ এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সেনাবাহিনীর রাঙামাটি রিজিয়নের সার্বিক তত্ত্বাবধান ও উদ্যোগে প্লাস্টিক ও অন্যান্য বর্জ্য সংগ্রহ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকালে রাঙামাটি সদর জোন অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. একরামুল রাহাতের উপস্থিতিতে রাঙামাটি সেনানিবাস এলাকা এবং এর আশপাশের সড়কসমূহে এ পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

পরিচ্ছন্ন ও দূষণমুক্ত পরিবেশ গঠনে সেনাবাহিনীর রাঙামাটি রিজিয়নের প্লাস্টিক বর্জ্য সংগ্রহ অভিযান

অভিযানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্যরা অংশ নিয়ে সেনানিবাস ও সংলগ্ন এলাকায় ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা প্লাস্টিক, পলিথিন এবং অন্যান্য পরিবেশ দূষণকারী বর্জ্য সংগ্রহ ও অপসারণ করেন। একই সঙ্গে পরিচ্ছন্ন পরিবেশ রক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরে স্থানীয় জনগণের মাঝে সচেতনতামূলক বার্তা প্রচার করা হয়।

সেনাবাহিনীর কর্মকর্তারা জানান, পরিবেশ দূষণ বর্তমানে একটি বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ। বিশেষ করে প্লাস্টিক বর্জ্য পরিবেশ, জীববৈচিত্র্য ও জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকি সৃষ্টি করছে। এ ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে একদিকে যেমন পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখা সম্ভব হবে, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধি পাবে।

পরিচ্ছন্ন ও দূষণমুক্ত পরিবেশ গঠনে সেনাবাহিনীর রাঙামাটি রিজিয়নের প্লাস্টিক বর্জ্য সংগ্রহ অভিযান

তারা আরও বলেন, একটি পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ গড়ে তোলা শুধু কোনো একটি প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব নয়; বরং এটি সকলের সম্মিলিত দায়িত্ব। পরিবেশ রক্ষায় জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে টেকসই ও বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করা সম্ভব।

পরিচ্ছন্ন ও দূষণমুক্ত পরিবেশ গঠনে সেনাবাহিনীর রাঙামাটি রিজিয়নের প্লাস্টিক বর্জ্য সংগ্রহ অভিযান

রাঙামাটি রিজিয়ন ও রাঙামাটি সদর জোনের এ উদ্যোগের ফলে সেনানিবাস ও পার্শ্ববর্তী এলাকার পরিবেশগত সৌন্দর্য সংরক্ষণ, দূষণ হ্রাস এবং স্বাস্থ্যকর পরিবেশ নিশ্চিতকরণে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী জানায়, পরিবেশ সংরক্ষণ, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের অংশ হিসেবে ভবিষ্যতেও এ ধরনের পরিচ্ছন্নতা ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনাভিত্তিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

  • অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
  • ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
  • ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল  কন্টেন্টের দুনিয়ায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *