‘পাহাড়ের প্রতিটি জনগোষ্ঠীর আস্থা ও অংশগ্রহণেই টেকসই শান্তি সম্ভব’

‘পাহাড়ের প্রতিটি জনগোষ্ঠীর আস্থা ও অংশগ্রহণেই টেকসই শান্তি সম্ভব’

‘পাহাড়ের প্রতিটি জনগোষ্ঠীর আস্থা ও অংশগ্রহণেই টেকসই শান্তি সম্ভব’
“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

নিউজ ডেস্ক

পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি, সম্প্রীতি ও উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সকল জনগোষ্ঠীর সক্রিয় অংশগ্রহণ ও পারস্পরিক আস্থার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১৬ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সৈয়দ আতিকুল করিম। তিনি বলেন, পাহাড়ের বৈচিত্র্যই এর শক্তি, আর সেই শক্তিকে কাজে লাগাতে হলে সকল সম্প্রদায়ের মধ্যে বিশ্বাস ও সহযোগিতার সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে।

আজ সকালে বান্দরবানের থানচি উপজেলার দুর্গম প্রাতাপাড়া এলাকায় আয়োজিত মানবিক সহায়তা প্রদান ও মতবিনিময় সভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

সভায় স্থানীয় বম সোশাল কাউন্সিলের সভাপতি লাল জারলাম বম, সিনিয়র সহ-সভাপতি লালসাংতাউন বম, সহ-সভাপতি লাললিয়ানসাং বম, সাধারণ সম্পাদক লাললিয়ানসাওম বম, উপদেষ্টা লাললুংরুয়াল বম, কোষাধ্যক্ষ ভানা বম, তথ্য বিষয়ক সম্পাদক লালভান্টলিং বম সহ বম সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দ, কারবারি, ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব ও সাধারণ পাড়াবাসী উপস্থিত ছিলেন।

‘পাহাড়ের প্রতিটি জনগোষ্ঠীর আস্থা ও অংশগ্রহণেই টেকসই শান্তি সম্ভব’

লেফটেন্যান্ট কর্নেল সৈয়দ আতিকুল করিম বলেন, “পাহাড়ের প্রতিটি জনগোষ্ঠীর নিজস্ব সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও জীবনধারা রয়েছে। এই বৈচিত্র্যকে সম্মান জানিয়ে সবাইকে সঙ্গে নিয়েই আমরা এগিয়ে যেতে চাই। কোনো সম্প্রদায়কে বিচ্ছিন্ন রেখে নয়, বরং পারস্পরিক আস্থা ও সহযোগিতার মাধ্যমে টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব।”

তিনি আরও বলেন, “বমসহ পাহাড়ের সব জনগোষ্ঠী এই অঞ্চলের অবিচ্ছেদ্য অংশ। তাদের নিরাপত্তা, উন্নয়ন এবং সামাজিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা আমাদের সবার দায়িত্ব। সেনাবাহিনী সেই লক্ষ্য নিয়েই কাজ করছে—যাতে প্রত্যন্ত এলাকার মানুষও নিরাপদে বসবাস করতে পারে এবং উন্নয়নের সুফল পায়।”

দুর্গম প্রাতাপাড়ায় আস্থা ও সম্প্রীতির দৃষ্টান্ত: বম জনগোষ্ঠীকে সেনাবাহিনীর মানবিক সহায়তা

পাহাড়ি জনপদ থেকে কিছু পরিবার এলাকা ছেড়ে যাওয়ার প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, “যেসব পরিবার বিভিন্ন কারণে নিজেদের বসতভিটা ছেড়ে যেতে বাধ্য হয়েছে, তাদের পুনর্বাসন ও নিরাপদ প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করতে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। স্থানীয় জনগণ, সামাজিক নেতৃত্ব ও প্রশাসনের সম্মিলিত উদ্যোগই এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।”

তিনি আশ্বস্ত করে বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সবসময় সাধারণ মানুষের পাশে রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রেখে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড এগিয়ে নিতে সেনাবাহিনী প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা প্রদান করবে।

সভায় উপস্থিত স্থানীয় নেতৃবৃন্দ জোন অধিনায়কের এই বক্তব্যকে ইতিবাচক হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, এতে পাহাড়ে পারস্পরিক আস্থা বৃদ্ধির পাশাপাশি সকল জনগোষ্ঠীর মধ্যে ঐক্য জোরদার হবে বলে তারা আশা করছেন।

  • অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
  • ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
  • ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল  কন্টেন্টের দুনিয়ায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *