দীঘিনালায় এতিমখানা ও মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীদের মাঝে চারা ও ত্রাণ বিতরণ করল সেনাবাহিনী

দীঘিনালায় এতিমখানা ও মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীদের মাঝে চারা ও ত্রাণ বিতরণ করল সেনাবাহিনী

দীঘিনালায় এতিমখানা ও মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীদের মাঝে চারা ও ত্রাণ বিতরণ করল সেনাবাহিনী
“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

জার্নাল প্রতিবেদক

পরিবেশ সংরক্ষণ, সবুজায়ন এবং সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার দীঘিনালায় এতিমখানা ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। বৃক্ষরোপণের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মাঝে ফলজ ও ঔষধি গাছের চারা এবং শুকনো খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেছে সেনাবাহিনীর দীঘিনালা জোন।

রোববার (১৯ জুলাই) দীঘিনালা জোনের উদ্যোগে মেরুং ইউনিয়নের ৪ নম্বর টাওয়ার টিলা এলাকায় অবস্থিত দারুল উলুম শাহিদা সুমাইয়া (রা.) বালিকা মাদ্রাসা ও এতিমখানায় এ মানবিক ও পরিবেশবান্ধব কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দীঘিনালা জোন অধিনায়ক লেঃ কর্নেল মোঃ আল আমিন। তাঁর উপস্থিতিতে প্রতিষ্ঠানটির প্রায় ২৫০ জন এতিম ও শিক্ষার্থীর মাঝে ৪০০টি ফলজ ও ঔষধি গাছের চারা বিতরণ করা হয়।

দীঘিনালায় এতিমখানা ও মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীদের মাঝে চারা ও ত্রাণ বিতরণ করল সেনাবাহিনী

একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেওয়া হয় শুকনো খাদ্যসামগ্রী, যার মধ্যে ছিল খেজুর, চিড়া, মুড়ি ও বিস্কুট।

সেনাবাহিনী সূত্রে জানা যায়, শুধু বৃক্ষরোপণ নয়, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মধ্যে পরিবেশ সংরক্ষণের গুরুত্ব তুলে ধরা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় সচেতনতা সৃষ্টি করাই ছিল এ কর্মসূচির অন্যতম উদ্দেশ্য। একই সঙ্গে অসহায় ও এতিম শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়িয়ে মানবিক সহায়তা প্রদানও এ উদ্যোগের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

অনুষ্ঠানে জোন অধিনায়ক শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, গাছ মানুষের সবচেয়ে বড় বন্ধু। একটি গাছ শুধু পরিবেশকে সবুজ রাখে না, বরং অক্সিজেন, ফল, ঔষধ এবং প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই প্রত্যেক শিক্ষার্থীর অন্তত একটি করে গাছ লাগানো এবং তার পরিচর্যা করার অভ্যাস গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।

মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ সেনাবাহিনীর এ উদ্যোগের প্রশংসা করে বলেন, দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় অধ্যয়নরত এতিম ও সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীদের জন্য এ ধরনের মানবিক কর্মসূচি অত্যন্ত উৎসাহব্যঞ্জক। বৃক্ষের চারা বিতরণের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরিবেশ রক্ষার যে বার্তা পৌঁছে দেওয়া হয়েছে, তা ভবিষ্যতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

স্থানীয় বাসিন্দারাও সেনাবাহিনীর এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, সীমান্ত নিরাপত্তার পাশাপাশি বাংলাদেশ সেনাবাহিনী শিক্ষা, স্বাস্থ্য, দুর্যোগ মোকাবিলা, সামাজিক উন্নয়ন ও পরিবেশ সংরক্ষণে নিয়মিতভাবে যেসব জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি পরিচালনা করছে, তা স্থানীয় জনগণের সঙ্গে বাহিনীর পারস্পরিক আস্থা ও সৌহার্দ্য আরও সুদৃঢ় করছে।

  • অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
  • ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
  • ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল  কন্টেন্টের দুনিয়ায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *