মাটিরাঙ্গায় বন্যাদুর্গত ও নিম্নআয়ের মানুষের জন্য ৬ পয়েন্টে ওএমএসের চাল-আটা বিক্রি শুরু

মাটিরাঙ্গায় বন্যাদুর্গত ও নিম্নআয়ের মানুষের জন্য ৬ পয়েন্টে ওএমএসের চাল-আটা বিক্রি শুরু

মাটিরাঙ্গায় বন্যাদুর্গত ও নিম্নআয়ের মানুষের জন্য ৬ পয়েন্টে ওএমএসের চাল-আটা বিক্রি শুরু
“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

জার্নাল প্রতিবেদক

খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ও নিম্নআয়ের মানুষের খাদ্য সহায়তায় সরকারের খোলা বাজারে বিক্রয় (ওএমএস) কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকাল ১০টায় মাটিরাঙ্গা হাসপাতাল গেটসংলগ্ন ডিলার পয়েন্টে আনুষ্ঠানিকভাবে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন মাটিরাঙ্গা উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা মো. ফরিদ আহমেদ।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপজেলা খাদ্য কার্যালয়ের তদারকি কর্মকর্তা অরুণ কান্তি পাল, সংশ্লিষ্ট ডিলার রবিউল ইসলাম এবং সুবিধাভোগী সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

উপজেলা খাদ্য কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, মাটিরাঙ্গা পৌরসভার মোট ৬টি নির্ধারিত পয়েন্টে ওএমএসের চাল ও আটা বিক্রি করা হবে। প্রতিদিন রোটেশন পদ্ধতিতে ২টি পয়েন্টে বিক্রয় কার্যক্রম পরিচালিত হবে। প্রতিটি পয়েন্টে প্রতিদিন ১ মেট্রিক টন চাল এবং ৫০০ কেজি আটা বরাদ্দ থাকবে।

মাটিরাঙ্গায় বন্যাদুর্গত ও নিম্নআয়ের মানুষের জন্য ৬ পয়েন্টে ওএমএসের চাল-আটা বিক্রি শুরু

একজন ভোক্তা সর্বোচ্চ ৩০ টাকা কেজি দরে ৫ কেজি চাল এবং ২৪ টাকা কেজি দরে আড়াই কেজি আটা কিনতে পারবেন। এ বিশেষ সহায়তা কার্যক্রম আগামী আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত চলবে।

নির্ধারিত বিক্রয় কেন্দ্রগুলো হলো: মাটিরাঙ্গা হাসপাতাল গেট, মাটিরাঙ্গা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে, আলিশান ভাতঘরের পাশে, মুসলিমপাড়া, চৌধুরীঘাট, ইসলামপুর এবং মাটিরাঙ্গা পৌরসভা গেট।

মাটিরাঙ্গা উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা মো. ফরিদ আহমেদ বলেন, “সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ও নিম্নআয়ের মানুষ যাতে খাদ্য সংকটে না পড়েন, সে লক্ষ্যেই সরকার এই বিশেষ ওএমএস কর্মসূচি চালু করেছে। কোনো ধরনের অনিয়ম ছাড়াই সঠিক দামে ও সঠিক মাপে দুর্গত মানুষের হাতে চাল ও আটা পৌঁছে দিতে আমরা সার্বক্ষণিক তদারকি নিশ্চিত করছি।”

  • অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
  • ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
  • ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল কন্টেন্টের দুনিয়ায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *