সেন্টমার্টিনে অবৈধ ট্রলিং বোটসহ ১৭ জেলে আটক, ৭০০ কেজি সামুদ্রিক মাছ জব্দ

সেন্টমার্টিনে অবৈধ ট্রলিং বোটসহ ১৭ জেলে আটক, ৭০০ কেজি সামুদ্রিক মাছ জব্দ

সেন্টমার্টিনে অবৈধ ট্রলিং বোটসহ ১৭ জেলে আটক, ৭০০ কেজি সামুদ্রিক মাছ জব্দ
“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

জার্নাল প্রতিবেদক

কক্সবাজারের টেকনাফের সেন্টমার্টিন দ্বীপের উত্তর-পশ্চিম সমুদ্র এলাকায় অভিযান চালিয়ে একটি অবৈধ আর্টিসানাল ট্রলিং বোট, ছয়টি ট্রলিং জাল ও আনুমানিক ৭০০ কেজি সামুদ্রিক মাছ জব্দ করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। এ সময় বোটটিতে থাকা ১৭ জন জেলেকে আটক করা হয়েছে।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টার দিকে সেন্টমার্টিন দ্বীপের উত্তর-পশ্চিম সমুদ্র এলাকায় কোস্ট গার্ড স্টেশন সেন্টমার্টিনের একটি দল এ অভিযান পরিচালনা করে।

কোস্ট গার্ড সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উত্তর-পশ্চিম সমুদ্র এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনার সময় সদস্যরা সন্দেহজনক একটি আর্টিসানাল ট্রলিং বোটের অবস্থান শনাক্ত করেন। পরে সেটিকে ধাওয়া করে জব্দ করা হয়।

জব্দ করা বোটটির নাম এফবি জাহিয়া রাইয়ান এবং রেজিস্ট্রেশন নম্বর এফ-১২৩৯৪। বোটটিতে তল্লাশি চালিয়ে ছয়টি ট্রলিং জাল এবং আনুমানিক দুই লাখ ১০ হাজার টাকা মূল্যের ৭০০ কেজি সামুদ্রিক মাছ উদ্ধার করা হয়। একই সময় বোটে থাকা ১৭ জন জেলেকে আটক করে কোস্ট গার্ড।

আটক ব্যক্তিরা হলেন কক্সবাজারের মহেশখালী ও চকরিয়া এবং ভোলা ও লক্ষ্মীপুর জেলার বাসিন্দা মো. এরশাদ উল্লাহ (২৯), মো. আরিফুল ইসলাম (৩৩), মো. রিয়াদ (২৮), মো. শাহা আকবর (৪৬), হামিদুল হক (২৯), মো. জসিম উদ্দিন (৪৯), মো. আনসারুল করিম (৩৬), জাহাঙ্গীর আলম (৩৯), মাহামুদুল করিম (২৩), মোহাম্মদ রিদুয়ানুল জীবন (২২), মো. আলি আহমেদ (৪৫), মো. জয়নাল আবেদীন (৪৫), মো. নুরুদ্দীন (২৬), মো. রিপন (৪৮), মো. ইসমাইল (৪৫), ফেরদৌস (১৮) ও আবু বক্কর সিদ্দিক (৩৫)।

কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন শনিবার রাত ১০টার দিকে অভিযান ও আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

কোস্ট গার্ড জানিয়েছে, জব্দ করা ট্রলিং বোট, ট্রলিং জাল ও সামুদ্রিক মাছ এবং আটক ১৭ জেলের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় অননুমোদিত ও অবৈধভাবে মাছ আহরণ বন্ধ করা জরুরি। নির্বিচারে বা নিষিদ্ধ পদ্ধতিতে মাছ আহরণ সামুদ্রিক পরিবেশ ও মাছের প্রজননব্যবস্থার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। এ কারণে উপকূল ও সমুদ্র এলাকায় নিয়মিত নজরদারি এবং আইনানুগ অভিযান সামুদ্রিক সম্পদ সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

কোস্ট গার্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ এবং অবৈধ মৎস্য আহরণ প্রতিরোধে সেন্টমার্টিনসহ উপকূলীয় ও সমুদ্র এলাকায় এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

  • অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
  • ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
  • ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল কন্টেন্টের দুনিয়ায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *