সাজেকে ইউপিডিএফ-জেএসএস সংঘাতে শিশু গুলিবিদ্ধের ঘটনায় পিসিসিপির তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ
![]()
জার্নাল প্রতিবেদক
পার্বত্য জেলা রাঙামাটির সাজেক পর্যটন অঞ্চলের চাইল্যাতলী এলাকায় আঞ্চলিক সশস্ত্র সন্ত্রাসী সংগঠন ইউপিডিএফ (প্রসীত) এবং জেএসএস (সন্তু)-এর মধ্যে আজ দুপুরে আধিপত্য বিস্তার ও চাঁদাবাজিকে কেন্দ্র করে ঘটে যাওয়া রক্তক্ষয়ী সংঘাত এবং ৭ বছরের নিষ্পাপ শিশু কস্মিতা ত্রিপুরা গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র পরিষদ (পিসিসিপি) কেন্দ্রীয় কমিটি।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে এক যৌথ প্রেস বিবৃতিতে (পিসিসিপি) কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি শাহাদাৎ হোসেন কায়েস এবং সাধারণ সম্পাদক মো. হাবীব আজম বলেন, জুম্ম জনগণের অধিকার আদায়ের মুখরোচক স্লোগান দিয়ে পাহাড়ে সক্রিয় থাকা সশস্ত্র সংগঠনগুলো বাস্তবে সাধারণ মানুষ ও অবোধ শিশুদের জীবনকে নরকে পরিণত করেছে। আজ সকালে ইউপিডিএফের গ্রুপ কমান্ডার বিপ্লব ও বাবুধন এবং জেএসএসের গ্রুপ কমান্ডার বিক্রমের বাহিনীর মধ্যে চলা ভারী গুলিবর্ষণে পুরো এলাকা স্তব্ধ হয়ে যায়। এই সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর চাঁদাবাজি ও ক্ষমতার লড়াইয়ের নির্মম বলির শিকার হয়েছে মাচালং এলাকার ৭ বছরের শিশু সঞ্জিতা ত্রিপুরা, যা অত্যন্ত বর্বর ও অমানবিক।
নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, এ ধরনের সহিংসতার কারণে শুধু স্থানীয় খেটে খাওয়া পাহাড়ি-বাঙালি সাধারণ মানুষই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে না, বরং সাজেকের মতো গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন খাতের নিরাপত্তা এবং দেশের ভাবমূর্তি মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে। পাহাড়ে প্রতিনিয়ত এমন নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে সাধারণ মানুষ বসবাস করতে পারে না।
পিসিসিপি কেন্দ্রীয় কমিটির পক্ষ থেকে অবিলম্বে এ ঘটনায় জড়িত ইউপিডিএফ ও জেএসএসের সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার, নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান এবং গুলিবিদ্ধ শিশু সঞ্জিতা ত্রিপুরার সুচিকিৎসাসহ তার পরিবারকে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দেওয়ার জন্য জোর দাবি জানানো হচ্ছে। একই সাথে পার্বত্য অঞ্চলে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিতে সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ধারাবাহিক ও কঠোর অভিযানের আহ্বান জানানো হচ্ছে।
- অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
- ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
- ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল কন্টেন্টের দুনিয়ায়।