পাহাড়ে আধুনিক শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিতে সরকার বদ্ধপরিকর: সাচিং প্রু

পাহাড়ে আধুনিক শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিতে সরকার বদ্ধপরিকর: সাচিং প্রু

পাহাড়ে আধুনিক শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিতে সরকার বদ্ধপরিকর: সাচিং প্রু
“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

জার্নাল প্রতিবেদক

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী সাচিং প্রু বলেছেন, পাহাড়ে কফি, কাজুবাদাম চাষ সম্প্রসারণ ও আধুনিক শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিতে সরকার বদ্ধপরিকর। পাহাড়ের পর্যটন শিল্পের টেকসই উন্নয়ন এবং কৃষির আধুনিকায়নের ব্যাপারেও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) আগস্ট, ২০২৬-এর অনুষ্ঠিত পর্যালোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

আজ রাজধানীর বেইলি রোডে পার্বত্য চট্টগ্রাম কমপ্লেক্স-এর সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন।

সভায় ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরে বাস্তবায়নাধীন এডিপিভুক্ত প্রকল্পগুলোর আর্থিক ও বাস্তব অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়। চলতি অর্থবছরের এডিপিতে জিওবি ও প্রকল্প সাহায্যসহ মোট ৯৬৪ কোটি ৬৪ লাখ টাকা বরাদ্দ রয়েছে বলে জানানো হয়।

পার্বত্য অঞ্চলের কৃষিকে সমৃদ্ধ করতে কৃষিমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনার কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, একর প্রতি কফি ও কাজুবাদামের চাষ দীর্ঘমেয়াদে (৮০-৯০ বছর) অবিশ্বাস্য অর্থনৈতিক সুফল বয়ে আনতে পারে। এছাড়া লাল মাশরুম চাষ এবং নেপালের ইসিমোড (আইসিআইএমওডি)-ভিত্তিক পানির উৎস তৈরির মাধ্যমে পানি সংরক্ষণ ও প্রবাহ বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

পাহাড়ে আধুনিক শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিতে সরকার বদ্ধপরিকর: সাচিং প্রু

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী সাচিং প্রু বলেন, সাজেক ভ্যালিতে হাজার হাজার গাড়ির আগমন পাহাড়ের ওপর প্রভাব ফেলছে। এ কারণে সেখানে গাড়ি পার্কিং, ওয়াসরুম ফ্যাসিলিটিজ বৃদ্ধি এবং ট্রানজিট পয়েন্ট আরো গোছানো দরকার।

প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন শিক্ষা খাতের ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে বলেন, পাহাড়ের শিক্ষার্থীদের ই-লার্নিং ও আধুনিক শিক্ষার মাধ্যমে সমতলের সমকক্ষ করে তুলতে হবে। পাহাড়ের নারীদের দীর্ঘদিনের পানি সংগ্রহের কষ্ট লাঘবে প্রতিটি উপজেলায় সুপেয় পানি সরবরাহ এবং প্রত্যন্ত অঞ্চলে সোলার প্যানেল স্থাপনের ওপর জোর দেন তিনি।

প্রাকৃতিক বিপর্যয় ও ভূমিধস মোকাবিলায় পরিবেশ রক্ষা করে পরিকল্পিত পর্যটন ও কর্মসংস্থানমূলক প্রকল্প গ্রহণের তাগিদ দিয়ে তিনি বলেন, পাহাড়ের মেধাবী সন্তানরা যেন ডাক্তার, প্রকৌশলী ও গবেষক হয়ে দেশের অর্থনীতিতে সমানভাবে অবদান রাখতে পারে, সরকার সেই সুযোগ সৃষ্টি করছে।

সভায় উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) অনুপ কুমার চাকমা, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব কংকন চাকমা, যুগ্মসচিব অতুল সরকার, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান (যুগ্মসচিব) শেখ ছালেহ আহাম্মদ, বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মাম্যা চিং, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান দীপন তালুকদার, খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ম্রা সা হোয়াই মারমা, পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের সদস্য কে. এস. মং, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা খোন্দকার মোহাম্মদ রিজাউল করিম এবং খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী ইলিয়াস মেহেদী প্রমুখ।

  • অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
  • ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
  • ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল কন্টেন্টের দুনিয়ায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *