নানিয়ারচরে আনসার-ভিডিপির বৃক্ষরোপণ অভিযান, রোপণ ও বিতরণ ৫০টি চারা

নানিয়ারচরে আনসার-ভিডিপির বৃক্ষরোপণ অভিযান, রোপণ ও বিতরণ ৫০টি চারা

নানিয়ারচরে আনসার-ভিডিপির বৃক্ষরোপণ অভিযান, রোপণ ও বিতরণ ৫০টি চারা
“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

জার্নাল প্রতিবেদক

পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, সবুজায়ন বৃদ্ধি এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় রাঙামাটির নানিয়ারচরে বৃক্ষরোপণ অভিযান-২০২৬ পালন করেছে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী। কর্মসূচির আওতায় বনজ, ফলজ ও ঔষধি প্রজাতির গাছ রোপণের পাশাপাশি ভিআইপি ও ভাতাভোগী সদস্যদের মধ্যে বিভিন্ন প্রজাতির চারা বিতরণ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সকালে জেলা কমান্ড্যান্ট কার্যালয়ের আয়োজনে নানিয়ারচর উপজেলার বুড়িঘাট ইউনিয়নের বগাছড়ি সঞ্জীবনী প্লাটুন ক্লাব সমিতির আঙ্গিনায় এ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং আনসার-ভিডিপির সদস্যরা অংশ নেন।

কর্মসূচিতে বনজ, ফলজ ও ঔষধি প্রজাতির মোট ৫০টি গাছ রোপণ ও বিতরণ করা হয়। এর মাধ্যমে একদিকে যেমন স্থানীয় পর্যায়ে সবুজায়ন বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, অন্যদিকে সাধারণ মানুষকে বৃক্ষরোপণে উৎসাহিত করার বার্তাও দেওয়া হয়েছে।

উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা রিক্তা হাজারী বলেন, জেলা কমান্ড্যান্ট মো. সাদ্দাম হোসেন, পিভিএমের নির্দেশনায় বৃক্ষরোপণ অভিযান-২০২৬-এর অংশ হিসেবে এ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। বনজ, ফলজ ও ঔষধি প্রজাতির গাছ রোপণ ও বিতরণের মাধ্যমে পরিবেশ রক্ষায় স্থানীয় পর্যায়ে সচেতনতা তৈরির চেষ্টা করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং সবুজায়ন বৃদ্ধিতে বৃক্ষরোপণের গুরুত্ব অপরিসীম। শুধু গাছ লাগানো নয়, রোপণ করা গাছের পরিচর্যা ও সংরক্ষণেও সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।

আনসার-ভিডিপির কর্মকর্তারা জানান, দেশের পরিবেশ সুরক্ষায় সরকারি বিভিন্ন কর্মসূচির পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে জনগণকে সম্পৃক্ত করে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম পরিচালনা করা প্রয়োজন। এ ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে পরিবেশ সংরক্ষণ সম্পর্কে সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়বে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সবুজ ও বাসযোগ্য পরিবেশ তৈরিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া আনসার-ভিডিপির সদস্যরা বলেন, গাছ পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার পাশাপাশি ফল, কাঠ ও ঔষধসহ নানা উপকার দিয়ে থাকে। তাই নিয়মিত বৃক্ষরোপণের পাশাপাশি রোপণ করা চারাগুলোর যথাযথ পরিচর্যা নিশ্চিত করা জরুরি।

স্থানীয় বাসিন্দারাও আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাদের মতে, দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলে পরিকল্পিতভাবে বনজ, ফলজ ও ঔষধি গাছ রোপণ করা হলে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার পাশাপাশি স্থানীয় জনগণের নানা চাহিদা পূরণেও দীর্ঘমেয়াদে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

  • অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
  • ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
  • ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল কন্টেন্টের দুনিয়ায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *