রামগড় স্থলবন্দরের অবকাঠামো পরিদর্শনে বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধিদল

রামগড় স্থলবন্দরের অবকাঠামো পরিদর্শনে বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধিদল

রামগড় স্থলবন্দরের অবকাঠামো পরিদর্শনে বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধিদল
“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

জার্নাল প্রতিবেদক

খাগড়াছড়ির রামগড় স্থলবন্দর উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় নির্মিত বিভিন্ন অবকাঠামো সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন ঢাকাস্থ বিশ্বব্যাংকের পাঁচ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল। প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার পর বন্দরের অবকাঠামোর সর্বশেষ অবস্থা পর্যবেক্ষণ এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে তাঁরা এ পরিদর্শনে আসেন।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) দুপুরে প্রতিনিধিদলের সদস্যরা রামগড় স্থলবন্দরের বিভিন্ন স্থাপনা ও বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রীসেতু-১ পরিদর্শন করেন।

পরিদর্শন দলে ছিলেন ঢাকাস্থ বিশ্বব্যাংকের সিনিয়র ট্রান্সপোর্ট স্পেশালিস্ট নুসরাত নাহিদ ববি, সিনিয়র সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট স্পেশালিস্ট কীর্তি নিশান চাকমা, পরিবেশ বিশেষজ্ঞ মো. সাহেদ মাহাবুব চৌধুরী, সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট কনসালট্যান্ট ড. রাফেজা আক্তার এবং ট্রান্সপোর্ট কনসালট্যান্ট সুনীল কুমার পোদ্দাল।

এ সময় রামগড় আন্তর্জাতিক প্যাসেঞ্জার টার্মিনালে প্রতিনিধিদলকে স্বাগত জানান বন্দর সহকারী প্রকৌশলী ও প্রকল্প পরিচালক মো. রুহুল আমিন এবং রামগড় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) দ্বীন আল জান্নাত। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন রামগড় স্থলবন্দরের ইনচার্জ ও ট্রাফিক পরিদর্শক সাইফুদ্দিন সায়েম এবং স্থলবন্দরের ইমিগ্রেশন সুপারিনটেনডেন্ট আহমেদ মামুন।

পরিদর্শনকালে প্রতিনিধিদলের সদস্যরা স্থলবন্দরের চারতলা প্যাসেঞ্জার টার্মিনাল, পোর্ট ভবন, চারতলা ডরমিটরি ভবন, আন্তর্জাতিক প্যাসেঞ্জার টার্মিনাল, এক্সেল কন্ট্রোল কক্ষ, বাংলাদেশ-ভারত ট্রাক টার্মিনাল এবং মৈত্রীসেতু-১ ঘুরে দেখেন। তাঁরা নির্মিত অবকাঠামোর বর্তমান অবস্থা সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন।

বন্দর সহকারী প্রকৌশলী ও প্রকল্প পরিচালক মো. রুহুল আমিন জানান, রামগড় স্থলবন্দর উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ায় ঢাকাস্থ বিশ্বব্যাংক কার্যালয়ের পাঁচ সদস্যের প্রতিনিধিদল প্রকল্পের বিভিন্ন অবকাঠামো পরিদর্শনে এসেছেন। পাশাপাশি প্রকল্পসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে অংশীজনদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করাও তাঁদের সফরের উদ্দেশ্য।

সংশ্লিষ্টদের মতে, রামগড় স্থলবন্দরের অবকাঠামো উন্নয়নের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সীমান্তপারের যোগাযোগ, যাত্রী চলাচল এবং পণ্য পরিবহনের সুযোগ সম্প্রসারণের সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে মৈত্রীসেতু-১ ও স্থলবন্দরের প্রয়োজনীয় স্থাপনাগুলো কার্যকরভাবে ব্যবহৃত হলে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক যোগাযোগ জোরদার এবং পার্বত্য চট্টগ্রামসহ আশপাশের অঞ্চলের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

  • অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
  • ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
  • ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল কন্টেন্টের দুনিয়ায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *