দ্রুত মাথা গোঁজার ঠাঁই চায় শাহপরীর দ্বীপের নিঃস্ব ৩০০ জেলে পরিবার
![]()
নিউজ ডেস্ক
ঘূর্ণিঝড় মোখার আঘাতে বিধ্বস্ত হয়েছে বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণের উপজেলা টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপের ৩০০টির বেশি ঘরবাড়ি।
ঘূর্ণিঝড়ের দুই দিন পর আজ মঙ্গলবার (১৬ মে) দুপুর ১২টা পর্যন্ত সেখানে সরকারি কোনো সহায়তা না পৌঁছানোয় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ অনেকটাই মানবেতর জীবন যাপন করছেন।
কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, ঘূর্ণিঝড় মোখার তাণ্ডবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা বঙ্গোপসাগরের বুকে আট বর্গকিলোমিটার আয়তনের দ্বীপ সেন্ট মার্টিন, তারপর শাহপরীর দ্বীপের জালিয়াপাড়া ও পার্শ্ববর্তী ক্যাম্পপাড়া।
বাংলাদেশের মূল ভূখণ্ডের সর্বদক্ষিণের বিন্দুটির নাম শাহপরীর দ্বীপ। নাফ নদী ও বঙ্গোপসাগরের মোহনায় টেকনাফের সাবরাং ইউনিয়নের তিনটি ওয়ার্ড নিয়ে (৭, ৮ ও ৯ নং ওয়ার্ড) গঠিত এই শাহপরীর দ্বীপের লোকসংখ্যা প্রায় ৪২ হাজার। দ্বীপের দক্ষিণ পাড়ায় দাঁড়িয়ে বঙ্গোপসাগরের মধ্যে সেন্ট মার্টিন দ্বীপ খালি চোখে দেখা যায়।
নাফ নদীর তীরে ৯ নং ওয়ার্ডের একাংশ জালিয়াপাড়া। গতকাল সোমবার দুপুরে সেখানে গিয়ে দেখা যায়, ভাঙা ঘরগুলো এলোমেলোভাবে পড়ে আছে। কিছু ভাঙা ঘরে ত্রিপল টাঙিয়ে লোকজন মাথা গোঁজার ঠাঁই করে নিচ্ছিলেন। পরিবার নিয়ে কেউ কেউ বসে ছিলেন খোলা আকাশের নিচে।