ভারতে উগ্র গোষ্ঠীর হাত থেকে মুসলিম প্রবীণকে রক্ষা করে প্রশংসায় ভাসছেন যুবক

ভারতে উগ্র গোষ্ঠীর হাত থেকে মুসলিম প্রবীণকে রক্ষা করে প্রশংসায় ভাসছেন যুবক

ভারতে মুসলিম ভারতে উগ্র গোষ্ঠীর হাত থেকে মুসলিম প্রবীণকে রক্ষা করে প্রশংসায় ভাসছেন যুবকনিপীড়ন: হিন্দুত্ববাদী মবের প্রতিবাদ করায় উল্টো যুবকের বিরুদ্ধেই মামলা
“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

নিউজ ডেস্ক

ভারতের উত্তরাখণ্ড রাজ্যে প্রবীণ মুসলিম দোকানদারকে কট্টরপন্থী হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের হেনস্তা থেকে রক্ষা করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশংসা কুড়াচ্ছেন এক হিন্দু যুবক। গণমাধ্যমের খবর বলছে, বজরং দলের কিছু সদস্য ৭০ বছর বয়সী এক মুসলিম প্রবীণকে হেনস্তা করছিলো। তখন এগিয়ে আসেন স্থানীয় জিম মালিক দীপক কুমার।

সম্প্রতি বজরং দলের সদস্যরা প্রবীণ দোকানদার ওয়াকিল আহমেদকে তার দোকানের নাম পরিবর্তনের জন্য চাপ দিচ্ছিল। তাদের দাবি ছিল, বাবা স্কুল ড্রেস নামের ওই দোকানে ব্যবহৃত বাবা শব্দটি কেবল হিন্দু ধর্মীয় ব্যক্তিদের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।

এই ঘটনার একটি ভিডিও বর্তমানে ইন্টারনেটে ভাইরাল হয়েছে, যেখানে দেখা যায় ৪৬ বছর বয়সী জিম মালিক দীপক কুমার নির্ভীকভাবে ওই ভিড়ের মুখোমুখি দাঁড়িয়েছেন। পরবর্তীতে এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, মানুষের মধ্যে সাম্য ও ঐক্যের বার্তা দিতেই তিনি ওই মুহূর্তে এমন উত্তর দিয়েছিলেন। দীপক বলেন, তিনি নিজেকে কোনো নির্দিষ্ট ধর্মের বেড়াজালে আবদ্ধ না রেখে সবার আগে একজন মানুষ হিসেবে পরিচয় দিতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন।

দীপক কুমারের এই সাহসী অবস্থান সাধারণ মানুষের প্রশংসা কুড়ালেও কট্টরপন্থী গোষ্ঠীগুলোর পক্ষ থেকে

তাকে নানাভাবে লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে। এমনকি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাকে নিয়মিত হুমকিও দেওয়া হচ্ছে।

তবে দীপক কুমার তার অবস্থানে অনড়। তিনি জানিয়েছেন, ৩০ বছরের পুরোনো একটি দোকানের নাম জোর করে বদলে দেওয়ার এই অন্যায় আবদার তিনি কোনোভাবেই মেনে নেবেন না। মানবতার প্রতি নিজের দায়বদ্ধতার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, মৃত্যুর পর তাকে সৃষ্টিকর্তার কাছে নিজের কাজের জবাব দিতে হবে, কোনো বিশেষ ধর্মের অনুসারী হিসেবে নয়।

  • অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
  • ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
  • ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল  কন্টেন্টের দুনিয়ায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You may have missed