বিহারে বিশেষ সহায়ক পুলিশ বাহিনীতে ১৭ হাজার অবসরপ্রাপ্ত সেনা ও আধাসামরিক সদস্য নিয়োগ
![]()
নিউজ ডেস্ক
ভারতের বিহার রাজ্য সরকার রাজ্য পুলিশের বিশেষ সহায়ক পুলিশ (এসএপি) বাহিনীতে ১৭ হাজার অবসরপ্রাপ্ত আধাসামরিক ও সাবেক সেনাসদস্য নিয়োগের অনুমোদন দিয়েছে। এর মাধ্যমে প্রথমবারের মতো কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী (সিএপিএফ)-এর অবসরপ্রাপ্ত সদস্যদের রাজ্য পুলিশের আওতায় অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে।
রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পুলিশ বাহিনীর সক্ষমতা বাড়াতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর আগে কেবল ভারতীয় সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সদস্যদের চুক্তিভিত্তিকভাবে এসএপি-তে নিয়োগ দেওয়া হতো। বর্তমানে রাজ্যে ১ হাজার ৭১৭ জন এসএপি জওয়ান কর্মরত আছেন।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সম্প্রতি নিয়োগপ্রাপ্ত কনস্টেবলরা এখনো প্রশিক্ষণে থাকায় সক্রিয় দায়িত্বে যোগ দেননি। ফলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় অভিজ্ঞ জনবল যুক্ত করার প্রয়োজনীয়তা থেকেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
চরমপন্থা ও সহিংস কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ এবং দক্ষ পুলিশি কার্যক্রম নিশ্চিত করতে বিহার সরকার এসএপি গঠন করে। এ বাহিনীর সদস্যদের চুক্তির মেয়াদ সময় সময় নবায়ন করা হয়।
গত ৭ ফেব্রুয়ারি বিহারের উপসচিব মনোজ কুমার সিনহা প্রধান হিসাব নিরীক্ষক (প্রিন্সিপাল অ্যাকাউন্ট্যান্ট জেনারেল)-এর কাছে পাঠানো এক চিঠিতে অতিরিক্ত পদ সৃষ্টির জন্য বাজেট অনুমোদন চান। সেখানে জুনিয়র কমিশন্ড অফিসার (জেসিও)-এর মাসিক সম্মানী ৩৫ হাজার রুপি থেকে বাড়িয়ে ৪০ হাজার রুপি এবং এসএপি জওয়ানের সম্মানী ২৫ হাজার রুপি থেকে বাড়িয়ে ৩০ হাজার রুপি করার প্রস্তাব দেওয়া হয়।
সরকারি হিসাবে, অনুমোদিত মোট ১৭ হাজার সদস্যের (১৫০ জন জেসিও, ১৬ হাজার ৩০০ জন এসএপি সদস্য ও ৫৫০ জন রাঁধুনি) বর্ধিত সম্মানী বাবদ ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৬৪২ কোটি ৯ লাখ রুপি।
একজন জ্যেষ্ঠ পুলিশ কর্মকর্তা জানান, প্রায় ১৩ কোটি জনসংখ্যার বিপরীতে বিহারের বর্তমান পুলিশ সদস্যসংখ্যা প্রায় ২ লাখ ৩০ হাজার। তিনি বলেন, “এসএপি-তে অবসরপ্রাপ্ত আধাসামরিক সদস্যদের অন্তর্ভুক্তি একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ। বর্তমানে বামপন্থী চরমপন্থা তেমন না থাকলেও আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে অভিজ্ঞ জনবলের প্রয়োজন রয়েছে।”
- অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
- ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
- ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল কন্টেন্টের দুনিয়ায়।