ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীকে আরও শক্তিশালী করার প্রতিশ্রুতি মোদীর

ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীকে আরও শক্তিশালী করার প্রতিশ্রুতি মোদীর

ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীকে আরও শক্তিশালী করার প্রতিশ্রুতি মোদীর
“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

নিউজ ডেস্ক

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দেশের প্রতিরক্ষা খাত নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেছেন, কেন্দ্রীয় সরকার সশস্ত্র বাহিনীর পাশে দৃঢ়ভাবে রয়েছে এবং বাহিনীকে আরও শক্তিশালী ও আধুনিক করতে যা যা পদক্ষেপ প্রয়োজন, তা নেওয়া হচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও নেওয়া হবে। তার ভাষায়, “সংস্কার আমাদের প্রতিশ্রুতি—এবং আমরা তা পূরণ করেছি।”

সংবাদ সংস্থা Press Trust of India (পিটিআই)-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে প্রধানমন্ত্রী জানান, পরিবর্তিত ভূ-রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে প্রতিরক্ষা খাতের আধুনিকীকরণ এখন সময়ের দাবি। সে লক্ষ্যেই এবারের বাজেটে প্রতিরক্ষা ব্যয়ে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি করা হয়েছে।

প্রতিরক্ষা বাজেটে বড় বৃদ্ধি

২০২৬ অর্থবছরের বাজেট অনুযায়ী, ভারতের মোট প্রতিরক্ষা বরাদ্দ ৬ লাখ ৮১ হাজার কোটি রুপি থেকে বাড়িয়ে ৭ লাখ ৮৫ হাজার কোটি রুপি করা হয়েছে। যা আগের তুলনায় প্রায় ১৫ শতাংশ বেশি। একই সঙ্গে প্রতিরক্ষা মূলধনী ব্যয়ও বাড়ানো হয়েছে। গত বছরের ১ লাখ ৮০ হাজার কোটি রুপি থেকে তা বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৩১ হাজার কোটি রুপিতে।

প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন, দেশের সশস্ত্র বাহিনীকে শক্তিশালী করতে সরকার প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা দিতে প্রস্তুত। তার মতে, বর্তমান বৈশ্বিক বাস্তবতায় প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধি না করলে ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা কঠিন হয়ে পড়বে। “দেশ যেন যে কোনো পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত থাকে—এটাই আমাদের লক্ষ্য,” বলেন তিনি।

অর্থনৈতিক নীতি ও এফটিএ প্রসঙ্গ

অর্থনৈতিক নীতি প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী জানান, ভারত ইতোমধ্যে ৩৮টি দেশের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) সম্পাদন করেছে। এসব চুক্তি দেশের টেক্সটাইল, চামড়া, রাসায়নিক, হস্তশিল্প ও রত্নখাতসহ ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের (এমএসএমই) জন্য নতুন বাজার সৃষ্টিতে সহায়ক হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

তার দাবি, দেশের অর্থনৈতিক রূপান্তরে বেসরকারি খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। মুনাফার মার্জিনের দিকে অতিরিক্ত নজর না দিয়ে গবেষণা ও উন্নয়ন (আরঅ্যান্ডডি) খাতে দ্রুত বিনিয়োগের আহ্বান জানান তিনি। একই সঙ্গে সরকারের প্রতিটি নীতিনির্ধারণী সিদ্ধান্তে নারীদের কল্যাণকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

মোদীর ভাষায়, “এই বাজেট বাধ্যবাধকতা থেকে নয়, প্রস্তুতি ও অনুপ্রেরণা থেকে তৈরি করা হয়েছে।”

  • অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
  • ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
  • ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল  কন্টেন্টের দুনিয়ায়।