বর্মাছড়ির অগ্নিদগ্ধ নিশনা চাকমার পাশে লক্ষীছড়ি জোন, চিকিৎসায় আর্থিক সহায়তা প্রদান

বর্মাছড়ির অগ্নিদগ্ধ নিশনা চাকমার পাশে লক্ষীছড়ি জোন, চিকিৎসায় আর্থিক সহায়তা প্রদান

বর্মাছড়ির অগ্নিদগ্ধ নিশনা চাকমার পাশে লক্ষীছড়ি জোন, চিকিৎসায় আর্থিক সহায়তা প্রদান
“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

নিউজ ডেস্ক

খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার লক্ষীছড়ি উপজেলার বর্মাছড়ি ইউনিয়নের কান্দব পাড়ায় অগ্নিকাণ্ডে গুরুতর দগ্ধ হওয়া ৮ বছর বয়সী শিশু নিশনা চাকমার চিকিৎসায় আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর লক্ষীছড়ি জোন।

আজ শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সকালে সেনাবাহিনীর ২৪ আর্টিলারি ব্রিগেড ও গুইমারা রিজিয়নের লক্ষীছড়ি জোন অধিনায়ক লেঃ কর্নেল মোঃ তাজুল ইসলামের দিকনির্দেশনায় সেনাবাহিনীর একটি দল নিশনা চাকমার পরিবারের হাতে ওই চিকিৎসা সহায়তা তুলে দেয়।

জানা গেছে, গত ৩১ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে বর্মাছড়ি আর্মি ক্যাম্প সংলগ্ন কান্দব পাড়ায় নিজ বাড়িতে রান্নার সময় মাটির চুলা থেকে অসাবধানতাবশত শিশুটির পোশাকে আগুন ধরে যায়। এতে তার শরীরের উল্লেখযোগ্য অংশ দগ্ধ হয় এবং শারীরিক অবস্থা দ্রুত সংকটাপন্ন হয়ে পড়ে।

বর্মাছড়ির অগ্নিদগ্ধ নিশনা চাকমার পাশে লক্ষীছড়ি জোন, চিকিৎসায় আর্থিক সহায়তা প্রদান

পরিবারের সদস্যরা তাৎক্ষণিকভাবে তাকে লক্ষীছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যান। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতাল এবং পরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল–এ স্থানান্তর করা হয়। অবস্থার আরও অবনতি হলে গত বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) তাকে ঢাকায় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল–এ ভর্তি করা হয়।

বর্তমানে শিশুটি হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছে বলে জানা গেছে।

এ ঘটনায় শিশুটির চিকিৎসায় সহায়তা চেয়ে গতকাল একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে সাউথইস্ট এশিয়া জার্নাল। প্রতিবেদনটি প্রকাশের পর বিষয়টি আরও আলোচনায় আসে এবং স্থানীয়ভাবে সহানুভূতির সাড়া তৈরি হয়।

বর্মাছড়ির অগ্নিদগ্ধ নিশনা চাকমার পাশে লক্ষীছড়ি জোন, চিকিৎসায় আর্থিক সহায়তা প্রদান

খবর পেয়ে সেনাবাহিনীর লক্ষীছড়ি জোনের একটি টহল দল কান্দব পাড়ায় শিশুটির বাড়িতে গিয়ে তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে। এ সময় চিকিৎসা ব্যয়ের সহায়তায় জোনের পক্ষ থেকে আর্থিক অনুদান প্রদান করা হয়। পাশাপাশি পরিবারকে মানসিকভাবে সাহস জোগানো হয় এবং শিশুটির সর্বশেষ চিকিৎসা পরিস্থিতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেওয়া হয়।

জোন কর্তৃপক্ষ জানায়, দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলে বসবাসরত মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং জরুরি মানবিক সহায়তা প্রদান তাদের নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ। ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্ঘটনা প্রতিরোধে স্থানীয় জনগণের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে রান্নার সময় শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং খোলা আগুন ব্যবহারে সতর্ক থাকার জন্য অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী জানিয়েছে, জনগণের কল্যাণ ও মানবিক সহায়তায় তারা সর্বদা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং এ ধরনের সহায়ক কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

  • অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
  • ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
  • ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল  কন্টেন্টের দুনিয়ায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *