রোয়াংছড়িতে সেনা অভিযানকে ঘিরে গোলাগুলিতে জেএসএস সন্ত্রাসী নিহত, অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার

রোয়াংছড়িতে সেনা অভিযানকে ঘিরে গোলাগুলিতে জেএসএস সন্ত্রাসী নিহত, অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার

রোয়াংছড়িতে সেনা অভিযানকে ঘিরে গোলাগুলিতে জেএসএস সন্ত্রাসী নিহত, অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার
“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

নিউজ ডেস্ক

বান্দরবান পার্বত্য জেলার রোয়াংছড়ি উপজেলায় সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন পাহাড়ের আঞ্চলিক সশস্ত্র সন্ত্রাসী সংগঠন জেএসএসের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী অভিযান পরিচালনা করেছে। আজ সোমবার বিকেল আনুমানিক ৫টার দিকে উপজেলার মুরং বাজার এলাকায় সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এ অভিযান চালানো হয়। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে গুলিবিনিময়ের ঘটনা ঘটে। পরে আহত অবস্থায় উদ্ধার হওয়া জেএসএস’র এক সন্ত্রাসী হাসপাতালে মারা যান।

সেনাবাহিনীর ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, অভিযানের সময় সেনা সদস্যরা জেএসএস’র একটি সশস্ত্র দলকে অবৈধভাবে চাঁদা আদায়ের সময় শনাক্ত করেন। এ সময় সশস্ত্র সদস্যরা পালানোর চেষ্টা কালে সেনাবাহিনীর টহল দলের ওপর গুলি বর্ষণ করে। জবাবে সেনাসদস্যরা পাল্টা গুলি চালিয়ে তাদের ধাওয়া করেন।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, প্রাথমিকভাবে সশস্ত্র সদস্যরা একটি স্কুল ঘরে আশ্রয় নেওয়ার চেষ্টা করে। তবে সেনা সদস্যদের উপস্থিতি টের পেয়ে তারা স্থান ত্যাগ করে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে ইউনিফর্ম পরিহিত হ্লামংনু মার্মা নামে জেএসএসের এক সশস্ত্র সন্ত্রাসীকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। তার কাছ থেকে একটি সাবমেশিনগান (এসএমজি), ১৪৩ রাউন্ড এসএমজি গুলি, ১৪ রাউন্ড পিস্তলের গুলি, ৫ রাউন্ড ব্ল্যাঙ্ক গুলি, দুটি অস্ত্রের ম্যাগাজিনসহ অন্যান্য সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।

বান্দরবানে সেনাবাহিনীর সাথে গোলাগুলিতে জেএসএস সন্ত্রাসী নিহত, অস্ত্র উদ্ধার
নিহত জেএসএস সন্ত্রাসী হ্লামংনু মার্মা

আহত অবস্থায় তাকে পুলিশের সহায়তায় দ্রুত বান্দরবান সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি পরবর্তীতে মারা যান।

রোয়াংছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম সাকের আহমেদ বলেন, ‘সেনাবাহিনী ও জেএসএসের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এতে জেএসএসের এক সদস্য গুলিবিদ্ধ হন। তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।’

সেনাবাহিনী জানিয়েছে, পার্বত্য চট্টগ্রামে সকল জাতিগোষ্ঠীর জানমালের নিরাপত্তা রক্ষায় তারা বদ্ধপরিকর এবং সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সময়ে পার্বত্য অঞ্চলে চাঁদাবাজি ও সশস্ত্র তৎপরতা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বলছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে গোয়েন্দা নজরদারি ও টহল কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।

  • অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
  • ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
  • ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল  কন্টেন্টের দুনিয়ায়।