পয়লা বৈশাখে পার্বত্য এলাকায় বিদেশি নাগরিকদের অনুপ্রবেশ ঠেকাতে কঠোর নির্দেশ

পয়লা বৈশাখে পার্বত্য এলাকায় বিদেশি নাগরিকদের অনুপ্রবেশ ঠেকাতে কঠোর নির্দেশ

পয়লা বৈশাখে পার্বত্য এলাকায় বিদেশি নাগরিকদের অনুপ্রবেশ ঠেকাতে কঠোর নির্দেশ
“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

নিউজ ডেস্ক

পয়লা বৈশাখ ও পার্বত্য অঞ্চলের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সামাজিক উৎসবকে কেন্দ্র করে দেশের তিন পার্বত্য জেলায় বিদেশি নাগরিকদের অনুপ্রবেশ রোধে কঠোর নির্দেশ দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

আজ বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) জারি করা কার্যপত্রে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়, বিশেষ করে মিয়ানমারসহ অন্যান্য বিদেশি নাগরিক যেন পার্বত্য জেলাগুলোর অনুষ্ঠানস্থলে প্রবেশ করতে না পারেন।

কার্যপত্রে আরও বলা হয়েছে, রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে আয়োজিত সকল বৈশাখী অনুষ্ঠান সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে শেষ করতে হবে। জননিরাপত্তার স্বার্থে বিকেল ৫টার পর এসব এলাকায় সাধারণ মানুষের প্রবেশও বন্ধ থাকবে। এই নির্দেশ রাজধানীর রমনা পার্ক, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা, হাতিরঝিল ও রবীন্দ্র সরোবরে প্রযোজ্য।

নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে র‍্যাব, পুলিশ, এসবি ও অন্যান্য গোয়েন্দা সংস্থাকে সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থায় রাখা হয়েছে। এছাড়া ১৪ এপ্রিল টিএসসি মেট্রোরেল স্টেশন সারাদিন বন্ধ রাখার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করা হয়েছে। হাতিরঝিল ও রবীন্দ্র সরোবরে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ও কোস্টগার্ডের নৌ টহল থাকবে।

ইভটিজিং, পকেটমার ও উশৃঙ্খলতা রোধে সাদা পোশাকে পুলিশ মোতায়েন করা হবে। পাশাপাশি এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটদের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হবে। নিরাপত্তার কারণে ফানুস ও আতশবাজি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টিকার ছাড়া কোনো যানবাহন প্রবেশ করতে পারবে না। বড় জনসমাগমস্থলে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহে ঢাকা ওয়াসা ও সিটি করপোরেশনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রমনা পার্ক এলাকায় জরুরি চিকিৎসাসেবার জন্য মেডিকেল টিম ও অ্যাম্বুলেন্স প্রস্তুত থাকবে। ভিড়ে কেউ হারিয়ে গেলে সহায়তার জন্য ‘লস্ট অ্যান্ড ফাউন্ড’ কেন্দ্র স্থাপন করা হবে এবং মাইকিংয়ের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় তথ্য সরবরাহ করা হবে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব বা উসকানিমূলক প্রচার ঠেকাতে পুলিশের সাইবার ইউনিট ও সিআইডি সার্বক্ষণিক নজরদারি চালাবে। দেশের অন্যান্য জেলা ও উপজেলায়ও একই ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। বিশেষভাবে পাহাড়ি জেলাগুলোতে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর উৎসব ঘিরে অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

প্রসঙ্গত, এ ধরনের পদক্ষেপের মাধ্যমে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পয়লা বৈশাখ ও পার্বত্য অঞ্চলের সামাজিক উৎসবকে শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠুভাবে উদযাপন নিশ্চিত করার পাশাপাশি বিদেশি অনুপ্রবেশ, জনঅশান্তি ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড রোধে জোর দিচ্ছে।

  • অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
  • ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
  • ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল  কন্টেন্টের দুনিয়ায়।