উখিয়ায় পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে আসামি ছিনতাই; ৬ বছর বয়সী কন্যাকে আটকের অভিযোগ

উখিয়ায় পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে আসামি ছিনতাই; ৬ বছর বয়সী কন্যাকে আটকের অভিযোগ

উখিয়ায় পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে আসামি ছিনতাই; ৬ বছর বয়সী কন্যাকে আটকের অভিযোগ
“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

নিউজ ডেস্ক

কক্সবাজারের উখিয়ায় পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে হাতকড়া পরিহিত পরোয়ানাভুক্ত এক আসামিকে ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় পুলিশের দুই সদস্য আহত হয়েছেন। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে আসামির পরিবারের তিন সদস্যকে আটক করেছে।

শনিবার (১২ এপ্রিল) মধ্যরাতে উখিয়া উপজেলার রাজাপালং ইউনিয়নের কাশিয়াবিল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে নিশ্চিত করেছেন উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মুজিবুর রহমান।

তিনি জানান, ছয় মাসের সাজাপ্রাপ্ত ও পরোয়ানাভুক্ত পলাতক আসামি মিজানুর রহমানের (২৯) অবস্থানের তথ্যের ভিত্তিতে একটি দল অভিযান চালায়। নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় তিনি চিৎকার শুরু করেন। এ সময় পরিবারের সদস্যসহ ১০ থেকে ১৫ জন অজ্ঞাত দুর্বৃত্ত দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোঁটা নিয়ে পুলিশের ওপর হামলা চালায়। ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে হামলাকারীরা মিজানুর রহমানকে পুলিশের হেফাজত থেকে ছিনিয়ে নেয় এবং তিনি অন্ধকারের সুযোগে বাড়ির পেছন দিক দিয়ে পালিয়ে যান। হামলায় উখিয়া থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) স্বদেশ বিশ্বাস ও কনস্টেবল ওমর ফারুক আহত হন। পরে তারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নেন।

ঘটনার পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে আসামির স্ত্রী ফারজানা হাকিম নিথর (২৯), বড় ভাইয়ের স্ত্রী রোজিনা আক্তার (৪৩) এবং ৬৮ বছর বয়সী বৃদ্ধ বাবা জাফর আলমকে আটক করে।

অন্যদিকে, আসামির বড় ভাই ও রাজাপালং ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান এবং ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন অভিযোগ করে বলেন, “মামলাটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও হয়রানিমূলক।”

তার দাবি, পুলিশ বাড়িতে না পেয়ে অসুস্থ বৃদ্ধ বাবা, দুই নারী ও ৬ বছর বয়সী শিশুকে আটক করে নিয়ে যায় এবং ঘটনাটিকে ভিন্নখাতে নিতে আসামি ছিনতাইয়ের নাটক সাজানো হয়েছে।

তবে ৬ বছর বয়সী শিশুকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি অস্বীকার করেছেন ওসি মো. মুজিবুর রহমান।

তিনি বলেন, “পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িত এক বৃদ্ধ ও দুই নারীকে আটক করা হয়েছে। পরে পরিবারের অনুরোধে শিশুটিকে তার মায়ের সঙ্গে রাখা হয়।”

এ ঘটনায় আহত এএসআই স্বদেশ বিশ্বাস বাদী হয়ে সরকারি কাজে বাধা প্রদান ও আসামি ছিনতাইয়ের অভিযোগে ১৫ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ১০ থেকে ১৫ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেছেন। গ্রেপ্তারকৃত তিনজনকে কক্সবাজার আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন পুলিশের এ কর্মকর্তা।

  • অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
  • ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
  • ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল  কন্টেন্টের দুনিয়ায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You may have missed