আসাম থেকে ২০ বাংলাদেশিকে দেশে ফেরত পাঠানোর দাবি মুখ্যমন্ত্রীর, চলবে নিয়মিত

আসাম থেকে ২০ বাংলাদেশিকে দেশে ফেরত পাঠানোর দাবি মুখ্যমন্ত্রীর, চলবে নিয়মিত

আসাম থেকে ২০ বাংলাদেশিকে দেশে ফেরত পাঠানোর দাবি মুখ্যমন্ত্রীর, চলবে নিয়মিত
“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

নিউজ ডেস্ক

ভারতের আসাম রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা দাবি করেছেন, এক রাতেই ২০ জন ‘অবৈধ বাংলাদেশি নাগরিক’কে সীমান্ত পার করে ফেরত পাঠানো হয়েছে এবং এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

শনিবার (২৫ এপ্রিল) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম X-এ দেওয়া এক পোস্টে তিনি একটি পরিচিত হিন্দি প্রবাদ—“লাঠোঁ কে ভূত বাতোঁ সে নেহি মানতে”—উল্লেখ করে বলেন, যারা স্বেচ্ছায় চলে যেতে চায় না, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এর মাধ্যমে তিনি আসাম সরকারের কঠোর অবস্থানের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন।

পোস্টে তিনি লিখেছেন, “যারা নিজেরা চলে যায় না, তাদের বের করে দিতে গিয়ে আমরা এই কথাটি মনে রাখি।” একইসঙ্গে তিনি জানান, আসাম “লড়াই চালিয়ে যাবে” এবং পুশব্যাক কার্যক্রম বন্ধ হবে না।

মুখ্যমন্ত্রীর দাবি অনুযায়ী, আসাম সীমান্তে প্রতিদিন আনুমানিক ২০ থেকে ৩০ জন করে ‘অবৈধ অভিবাসী’কে ফেরত পাঠানো হচ্ছে। তিনি স্বীকার করেন, আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ব্যাপক হারে বহিষ্কার কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা বাস্তবসম্মত নয়।

এ প্রেক্ষিতে তিনি তার সরকারের কৌশলকে “নাগরিক অবাধ্যতা ও অসহযোগ” নীতির অংশ হিসেবে উল্লেখ করেন, যা Mahatma Gandhi-র আদর্শ থেকে অনুপ্রাণিত বলে দাবি করেন। তার মতে, সরাসরি জোরপূর্বক বহিষ্কারের পাশাপাশি এমন পরিস্থিতি তৈরি করা হচ্ছে, যাতে অবৈধ অভিবাসীদের জন্য রাজ্যে থাকা কঠিন হয়ে পড়ে।

একইসঙ্গে তিনি সতর্ক করে বলেন, আসামের ‘স্থানীয় মুসলিম’ জনগোষ্ঠী এবং অবৈধ অভিবাসীদের মধ্যে পার্থক্য করা জরুরি। স্থানীয় মুসলিমদের যেন কোনোভাবে হয়রানি না করা হয়, সে বিষয়েও গুরুত্বারোপ করেন তিনি। পাশাপাশি অবৈধ অভিবাসীদের আশ্রয় না দেওয়ার আহ্বান জানান।

প্রসঙ্গত, আসামে অবৈধ অভিবাসন ইস্যু দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিকভাবে স্পর্শকাতর বিষয় হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে, যা আঞ্চলিক রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলে আসছে।

  • অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
  • ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
  • ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল  কন্টেন্টের দুনিয়ায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *