আধিপত্য বিস্তারের লড়াই, প্রতিপক্ষের গুলিতে আহত ইউপিডিএফ সন্ত্রাসীকে উদ্ধার করল সেনাবাহিনী

আধিপত্য বিস্তারের লড়াই, প্রতিপক্ষের গুলিতে আহত ইউপিডিএফ সন্ত্রাসীকে উদ্ধার করল সেনাবাহিনী

আধিপত্য বিস্তারের লড়াই, প্রতিপক্ষের গুলিতে আহত ইউপিডিএফ সন্ত্রাসীকে উদ্ধার করল সেনাবাহিনী
“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

নিউজ ডেস্ক

খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার গুইমারায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই আঞ্চলিক সশস্ত্র সংগঠন ইউপিডিএফ ও জেএসএস-এর মধ্যে গোলাগুলির ঘটনায় আহত এক ইউপিডিএফ সন্ত্রাসীকে উদ্ধার করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।

শুক্রবার (২৬ জুন) সকাল ৯টার দিকে গুইমারা উপজেলার দুর্গম পাইনংপাড়া এলাকায় এ গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এতে প্রসীত বিকাশ খীসার নেতৃত্বাধীন ইউপিডিএফের গুইমারা ইউনিটের সশস্ত্র সন্ত্রাসী ঝিমিত চাকমা প্রতিপক্ষের গুলিতে হাতে গুলিবিদ্ধ হন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় প্রভাব বিস্তার, চাঁদাবাজির নিয়ন্ত্রণ এবং আধিপত্যকে কেন্দ্র করে ইউপিডিএফ ও জেএসএস-এর মধ্যে বিরোধ চলছিল। এরই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার সকালে উভয় পক্ষের সশস্ত্র সদস্যদের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এতে ঝিমিত চাকমা আহত হয়ে ঘটনাস্থলে পড়ে থাকেন।

ঘটনার খবর পেয়ে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি টহল দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহত ঝিমিত চাকমাকে উদ্ধার করে। পরে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য মাটিরাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়।

এদিকে গোলাগুলির ঘটনার পর এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। ঘটনাটির বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ এবং সংশ্লিষ্টদের শনাক্তে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করছে বলে জানা গেছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, পার্বত্য চট্টগ্রামে আঞ্চলিক সশস্ত্র সংগঠনগুলোর অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব ও আধিপত্য বিস্তারের সংঘাতে বছরের পর বছর ধরে সাধারণ মানুষ চরম নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে বসবাস করছেন। প্রায়ই গোলাগুলি, অপহরণ, চাঁদাবাজি ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নিরীহ মানুষ আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়েন। অনেক সময় ব্যবসায়ীরা নির্বিঘ্নে ব্যবসা পরিচালনা করতে পারেন না এবং সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হয়।

স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সচেতন মহলের মতে, সশস্ত্র সংগঠনগুলোর এ ধরনের সংঘর্ষের কারণে পার্বত্য অঞ্চলের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড, শিক্ষা, পর্যটন ও বিনিয়োগের পরিবেশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। উন্নয়নের সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও নিরাপত্তাহীনতার কারণে বহু এলাকায় কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি হচ্ছে না। সাধারণ মানুষ দীর্ঘদিন ধরে এ ধরনের সহিংসতার অবসান এবং স্থায়ী শান্তিপূর্ণ পরিবেশ প্রতিষ্ঠার দাবি জানিয়ে আসছেন।

  • অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
  • ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
  • ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল  কন্টেন্টের দুনিয়ায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You may have missed