ভারতের কর্ণাটকে বাংলাদেশি দম্পতিকে মারধর, চিকিৎসক গ্রেপ্তার

ভারতের কর্ণাটকে বাংলাদেশি দম্পতিকে মারধর, চিকিৎসক গ্রেপ্তার

ভারতের কর্ণাটকে বাংলাদেশি দম্পতিকে মারধর, চিকিৎসক গ্রেপ্তার
“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

জার্নাল প্রতিবেদক

ভারতের কর্ণাটক রাজ্যের রাজধানী বেঙ্গালুরুর পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত তথ্যপ্রযুক্তি শিল্পের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র হোয়াইটফিল্ড এলাকায় বসবাসরত এক বাংলাদেশি দম্পতিকে মারধরের অভিযোগে এক চিকিৎসককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত বৃহস্পতিবার ওই চিকিৎসককে গ্রেপ্তার করা হয়। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।

খবরে বলা হয়েছে, অভিযোগকারী ২৩ বছর বয়সী নাসরিনা বিল্লাল জানান, বেঙ্গালুরুর বেল্লান্দুর এলাকার বেট্টাদাসাপুরায় অবস্থিত সাই ক্লিনিকের চিকিৎসক ডা. নাগেন্দ্র বাংলাদেশি বাসিন্দা বলে উল্লেখ করে তাঁকে এবং তাঁর স্বামী মোহাম্মদ বিল্লালকে মারধর করেন। বিল্লাল পেশায় গাড়িচালক বলে জানিয়েছে ভারতীয় গণমাধ্যমটি।

অভিযোগের ভিত্তিতে বেল্লান্দুর পুলিশ বৃহস্পতিবার ডা. নাগেন্দ্রকে গ্রেপ্তার করে আদালতে হাজির করে। পরে আদালত তাঁর জামিন মঞ্জুর করেন। পুলিশ সূত্র জানায়, হোয়াইটফিল্ড ও এর আশপাশে অনেক অবৈধ অভিবাসী রয়েছে বলে দাবি করে ডা. নাগেন্দ্র জানান, আবেগের বশবর্তী হয়ে তিনি এমন আচরণ করেন। তিনি ওই দম্পতির নাগরিকত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলার পর উভয় পক্ষের মধ্যে তীব্র বাগ্‌বিতণ্ডার সৃষ্টি হয়, যা পরে সংঘর্ষে রূপ নেয়।

তদন্তকারী কর্মকর্তারা বলেন, কোনো ব্যক্তির নাগরিকত্ব নিয়ে সন্দেহ থাকলে ডা. নাগেন্দ্র চাইলে বিষয়টি পুলিশকে জানাতে পারতেন, কিন্তু আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া তার উচিত হয়নি। তদন্তসংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা বলেন, ‘ভুক্তভোগীরা বাংলাদেশ থেকে এসেছেন, এটি সত্য। আমরা তাদের সম্পর্কে আরও তথ্য সংগ্রহ করছি।’

প্রসঙ্গত, হোয়াইটফিল্ড বেঙ্গালুরুর একটি গুরুত্বপূর্ণ আইটি ও বাণিজ্যিক এলাকা, যেখানে বহু বহুজাতিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের কার্যালয় অবস্থিত। অপরদিকে, বেল্লান্দুর শহরের দ্রুত বর্ধনশীল আবাসিক ও তথ্যপ্রযুক্তি অঞ্চলগুলোর একটি। বেট্টাদাসাপুরা বেল্লান্দুর সংলগ্ন একটি স্থানীয় এলাকা, যেখানে সাই ক্লিনিক অবস্থিত।

  • অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
  • ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
  • ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল কন্টেন্টের দুনিয়ায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *