ত্রিপুরায় যৌথ অভিযানে প্রায় ১৯ লাখ গাঁজার গাছ ধ্বংস, চাষের বিস্তার নিয়ে প্রশ্ন
![]()
জার্নাল প্রতিবেদক
ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের সিপাহিজলা জেলার বক্সানগর এলাকায় যৌথ অভিযান চালিয়ে প্রায় ১৯ লাখ গাঁজার গাছ ধ্বংস করেছে পুলিশ, সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ ও ত্রিপুরা স্টেট রাইফেলস (টিএসআর)। গত দুই দিনে প্রায় ৬৫০টি অবৈধ গাঁজার বাগানে অভিযান চালিয়ে এসব গাছ ধ্বংস করা হয়।
পুলিশ সূত্রের বরাতে জানা গেছে, অভিযানের আওতায় ছিল বিভিন্ন বনাঞ্চল, দুর্গম এলাকা এবং বাংলাদেশ সীমান্তসংলগ্ন স্পর্শকাতর অঞ্চল। এসব স্থানে অবৈধভাবে গাঁজার চাষ করা হচ্ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, উৎপাদিত গাঁজা অবৈধ বাণিজ্য ও সীমান্তপথে পাচারের উদ্দেশ্যে চাষ করা হয়েছিল। অভিযানে গাছগুলো উপড়ে ফেলে ধ্বংস করা হয়।
কালামচৌড়া-বক্সানগর এলাকায় সম্প্রতি বিএসএফ সদস্যদের ওপর হামলার ঘটনার পর সীমান্তবর্তী এলাকায় নিরাপত্তা ও সংঘবদ্ধ অবৈধ কর্মকাণ্ড নিয়ে উদ্বেগের মধ্যে এ অভিযান পরিচালিত হলো। সীমান্তসংলগ্ন এলাকায় বিপুল পরিমাণ গাঁজার চাষের সন্ধান পাওয়ায় নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং অবৈধ বাণিজ্যের বিস্তার নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
তবে প্রায় ৬৫০টি বাগানে এত বিপুল পরিমাণ গাঁজার চাষ দীর্ঘদিন ধরে কীভাবে চলেছে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এ ক্ষেত্রে রাজনৈতিক প্রভাব ও প্রশাসনিক অবহেলার অভিযোগও সামনে এসেছে। যদিও এসব অভিযোগের সত্যতা স্বাধীন তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন।
অভিযানের পর এখন অবৈধ গাঁজা চাষের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি, অর্থের জোগানদাতা এবং পাচারচক্রের সদস্যদের শনাক্ত করাই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। একই সঙ্গে বিপুল পরিসরে অবৈধ গাঁজার বাগানের সন্ধান পাওয়ায় ত্রিপুরা সরকারের ‘নেশামুক্ত ত্রিপুরা’ কর্মসূচির কার্যকারিতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
- অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
- ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
- ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল কন্টেন্টের দুনিয়ায়।