হেমা চাকমা নিঃসন্দেহে ইউপিডিএফের এজেন্ডা নিয়ে মাঠে নেমেছে- জিয়াউল হক
![]()
জার্নাল প্রতিবেদক
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ-ডাকসু সদস্য হেমা চাকমা নিঃসন্দেহে ইউপিডিএফ-এর এজেন্ডা নিয়ে মাঠে নেমেছে বলে মন্তব্য করেছেন সাম্প্রতিক সময়ে রাষ্ট্রবিরোধী বিভিন্ন ইস্যুতে মাঠে সরব স্টুডেন্ট ফর সভরেন্টির আহবায়ক মুহম্মদ জিয়াউল হক।
গতকাল শনিবার রাতে নিজের ফেসবুক আইডিতে এক বিশদ পোষ্ট করে তিনি এ দাবী করেন।
ফেসবুক পোষ্টে জিয়াউল উল্লেখ করেন; বলা চলে, ইউপিডিএফ-এর মুখপাত্র মাইকেল চাকমার প্রতিনিধি হিসেবে মাঠে-ময়দানে সরব হেমা চাকমা। কার্যক্রমে উভয়ের মধ্যে কোনো পার্থক্য খুঁজে পাওয়া যায় না। হেমা চাকমা ও তার বাবার সাথে ইউপিডিএফ-এর সম্পর্ক সে অস্বীকার করলেও তার দাবী-দাওয়া ও ইউপিডিএফ বা মাইকেল চাকমার দাবী-দাওয়া এক ও অভিন্ন।
৫ আগস্টের পর মাইকেল চাকমা ঐক্যমত কমিশনের কাছে পার্বত্য চট্টগ্রামের স্বায়ত্তশাসন ও আদিবাসী স্বীকৃতি চেয়েছে। এখন সে পলাতক থাকায় তার প্রতিনিধি হিসেবে হেমা চাকমা তার দাবীকৃত ‘স্বায়ত্তশাসন ও আদিবাসী স্বীকৃতি’ সংবিধান সংশোধন বিষয়ক কমিটির কাছে পেশ করে এসেছে বলেও দাবী জিয়ার।
ওই পোষ্টে জিয়াউল আরও বলেন, মাইকেল চাকমা ১৯৯৭ সালের কথিত শান্তি চুক্তির বিরুদ্ধে। হেমা চাকমাও শান্তি চুক্তির বিরুদ্ধে। কথিত শান্তি চুক্তি বাস্তবায়নে একটা শব্দও সে সংবিধান সংশোধন কমিটির কাছে পেশ করেনি। তার মানে হেমা চাকমা জেএসএস এর হয়ে কাজ করছে না- এটা নিশ্চিত।
তিনি উল্লেখ করেন, গত ডাকসু (DUCSU) নির্বাচনে বামপন্থী ছাত্র সংগঠনগুলোর জোট ‘প্রতিরোধ পর্ষদ’ প্যানেল থেকে একমাত্র হেমা চাকমা কার্যকরী সদস্য পদে নির্বাচিত হয়। বাম প্যানেল থেকে আর কেউ নির্বাচিত হতে না পারলেও একমাত্র হেমা চাকমার জয় লাভের নেপথ্যে কী ছিল- এমন প্রশ্নেরে উত্তর খুঁজতে গিয়ে অনেকেই মনে করেন- বাম প্যানেল থেকে একমাত্র হেমা চাকমার জয় লাভের নেপথ্যে ছিল মূল্যত ইউপিডিএফ এর অর্থায়ন। গত ডাকসু নির্বাচনে মাইকেল চাকমারা হেমা চাকমার পেছনে প্রচুর অর্থ খরচ করে। ফলে সে জয়ী হয়ে আসে।
এখন ইউপিডিএফ এর অর্থায়ন অভিযোগে নির্বাচিত হেমা চাকমা তো ইউপিডিএফ এর হয়েই কাজ করবে, ইউপিডিএফ এর এর কথিত ‘স্বায়ত্তশাসন ও আদিবাসী স্বীকৃতি’র দাবীতে মাঠে সরব থাকবে- এটাই স্বাভাবিক। সে তো আর জেএসএস এর শান্তি চুক্তি বাস্তবায়নে মাঠে নামবে না- এটাও স্বাভাবিক।
জিয়াউল হকের ওই পোষ্টের কমেন্ট সেকশনে প্রায় শ’খানেক কমেন্টর মধ্যে বেশীরভাগ ফেসবুক ব্যবহারকারীই সহমত পোষন করেন এবং রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকান্ডে জড়িত থাকার দায়ে এসব চিহ্নি সন্ত্রাসীগোষ্ঠীর এজেন্ট বিরুদ্ধে একজোট হবার আহবান জানান।
- অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
- ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
- ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল কন্টেন্টের দুনিয়ায়।