বান্দরবানে হামের টিকা পাবে ৬০ হাজারের বেশি শিশু
![]()
নিউজ ডেস্ক
পার্বত্য জেলা বান্দরবানে ৬০ হাজার ২৬৭ শিশুকে দেয়া হবে হামের টিকা। রোববার (১৯ এপ্রিল) দুপুরে হাম-রুবেলা ক্যাম্পেইন শীর্ষক অবহিতকরণ সভায় এ তথ্য জানান জেলার সিভিল সার্জন ডা. শাহীন হোসাইন চৌধুরী।
এ সময় তিনি জানান, আগামী ২০ এপ্রিল থেকে বান্দরবান জেলায় শুরু হবে হামের টিকাদান ক্যাম্পেইন। চলবে আগামী ১১ মে পর্যন্ত। মোট ১১ কর্মদিবসে জেলার সাতটি উপজেলায় ৭৬৮টি কেন্দ্রে দেয়া হবে এই টিকা। প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলবে এ ক্যাম্পেইন। ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী প্রতিটি শিশুকে দেয়া হবে হামের টিকা।
এ সিভিল সার্জনের সভাপতিত্বে অবহিতকরণ সভায় উপস্থিত ছিলেন: জেলা প্রশাসক মো. সানিউল ফেরদৌস পুলিশ সুপার মো. আব্দুর রহমান আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. তারেকুল ইসলাম সিনিয়র কনসালটেন্ট মেডিসিন ডা. দীলিপ চৌধুরীসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকবৃন্দ।
এ সময় জেলা প্রশাসক মো. সানিউল ফেরদৌস বলেন, ‘টিকাদান ক্যাম্পেইনের ক্ষেত্রে স্বাস্থ্য বিভাগের সুনাম রয়েছে। আশা করি তারা এবারও সুনামের সঙ্গে হামের টিকাদান ক্যাম্পেইন সম্পন্ন করবে। সব শিশুকেই হামের টিকা দেয়া হবে। ক্যাম্পেইনে যদি কেউ বাদ যায় তাদেরও পরবর্তীতে যাতে টিকা দেয়া যায় সে বিষয়ে নজর রাখার জন্যও তিনি সিভিল সার্জনকে পরামর্শ দেন।
পরে এ বিষয়ে আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. তারেকুল ইসলাম বলেন, ‘এবার ৬০ হাজার ২৬৭ শিশুকে হামের টিকা দেয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এরমধ্যে আলিকদম উপজেলায় ৮ হাজার ৪৭০ শিশু, বান্দরবান সদরে ৫ হাজার ২৫৮, লামায় ১৮ হাজার ২০৭, নাইক্ষ্যংছড়িতে ১২ হাজার ৬৯৪, রোয়াংছড়িতে তিন হাজার ৪৬৭, রুমায় তিন হাজার ৩০৯, থানচিতে চার হাজার ২১১ এবং বান্দরবান পৌর এলাকায় চার হাজার ৬১১ শিশুকে দেয়া হবে এই টিকা।’
এ সময় তিনি আরও বলেন, ‘এ পর্যন্ত এক রোগী হামে আক্রান্ত হয়েছে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলায়। এ ছাড়া আর কোথাও কোনো রোগী শনাক্ত হয়নি। যারা হামের টিকা নিয়েছে আগে তারাও এ টিকা নিতে পারবে। তবে ২৮ দিনের মধ্যে কেউ এ টিকা নিতে পারবে না। এ ছাড়াও জ্বর সর্দি কাশি বা কোনো ভাইরাসে আক্রান্ত শিশু এ টিকা নিতে পারবে না।’
- অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
- ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
- ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল কন্টেন্টের দুনিয়ায়।