এমএন লারমার ৮৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে রাঙামাটিতে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ

এমএন লারমার ৮৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে রাঙামাটিতে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ

এমএন লারমার ৮৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে রাঙামাটিতে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ
“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

জার্নাল প্রতিবেদক

রাঙামাটিতে পার্বত্য চট্টগ্রামের রাজনীতিক ও সাবেক সংসদ সদস্য মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমার (এমএন লারমা) ৮৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার সকালে রাঙামাটি জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে এমএন লারমার জন্মবার্ষিকী উদযাপন কমিটির আয়োজনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব শিশির চাকমা।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন আইনজীবী সুস্মিতা চাকমা, এমএন লারমা মেমোরিয়াল ফাউন্ডেশনের সভাপতি বিজয় কেতন চাকমা, পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (জেএসএস) সহসভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য ঊষাতন তালুকদারসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।

আলোচনা সভায় বক্তারা মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমার জীবন, রাজনৈতিক দর্শন ও কর্মের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। তারা বলেন, এমএন লারমা ছিলেন জুম্ম জনগোষ্ঠীর অধিকার আদায়ের আন্দোলনের অবিসংবাদিত নেতা। পার্বত্য চট্টগ্রামের মানুষের অধিকার, স্বাতন্ত্র্য ও ন্যায্য দাবির বিষয়ে তিনি দীর্ঘদিন কাজ করেছেন।

অনুষ্ঠানে এমএন লারমার জীবন ও কর্মের ওপর আলোচনা ছাড়াও বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

এমএন লারমার ৮৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে রাঙামাটিতে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ

আলোচনায় বক্তারা সম্প্রতি পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ে সরকারের গঠিত বিভিন্ন কমিটি নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। তারা বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তির অন্যতম পক্ষ পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (জেএসএস)। অথচ পার্বত্য চট্টগ্রাম নিয়ে সরকার সম্প্রতি যেসব কমিটি গঠন করেছে, সেগুলোর বিষয়ে জেএসএস কিছুই জানে না বলে তারা দাবি করেন। চুক্তির একটি পক্ষকে বাইরে রেখে এ ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হলে তা নিয়ে সন্দেহ ও উদ্বেগ তৈরি হওয়া স্বাভাবিক বলেও মন্তব্য করেন বক্তারা।

তারা বলেন, পার্বত্য জেলা পরিষদের নির্বাচন আয়োজন কিংবা পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশন কার্যকর করার উদ্যোগে তাদের আপত্তি নেই। তবে এসব কার্যক্রম অবশ্যই পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এবং চুক্তির বিধান অনুযায়ী বাস্তবায়ন করতে হবে।

বক্তারা আরও বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে কোনো বিচ্ছিন্নতাবাদী নেই। তারা বাংলাদেশের নাগরিক এবং দেশের নাগরিক হিসেবে নিজেদের অধিকার ও মর্যাদা নিয়ে বসবাস করতে চান। পার্বত্য চট্টগ্রামকে ঘিরে সরকারের সাম্প্রতিক বিভিন্ন কার্যক্রম নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা তৈরি হয়েছে উল্লেখ করে তারা সরকারের কাছে বিষয়গুলো জনগণের সামনে পরিষ্কার করার আহ্বান জানান।

  • অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
  • ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
  • ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল কন্টেন্টের দুনিয়ায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *