মহালছড়ি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্যাম ইউনিটে চিকিৎসা সরঞ্জাম দিল হেলেন কেলার ও জাবারাং

মহালছড়ি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্যাম ইউনিটে চিকিৎসা সরঞ্জাম দিল হেলেন কেলার ও জাবারাং

মহালছড়ি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্যাম ইউনিটে চিকিৎসা সরঞ্জাম দিল হেলেন কেলার ও জাবারাং
“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

জার্নাল প্রতিবেদক

মারাত্মক তীব্র অপুষ্টিতে (Severe Acute Malnutrition—SAM) আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসাসেবা আরও কার্যকর ও মানসম্মত করতে খাগড়াছড়ির মহালছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্যাম ইউনিটে প্রয়োজনীয় লজিস্টিকস ও চিকিৎসা উপকরণ হস্তান্তর করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) মহালছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব চিকিৎসা সরঞ্জাম হস্তান্তর করা হয়। হেলেন কেলার ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের সহযোগিতায় এবং জাবারাং কল্যাণ সমিতির বাস্তবায়নে ‘Access to and Utilization of Lifesaving Services by Marginalized Communities in Chittagong Hill Tracts in Bangladesh’ প্রকল্পের আওতায় এ সহায়তা দেওয়া হয়।

হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহালছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. ধনিষ্টা চাকমা। এ সময় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. শোভন সরকার, জাবারাং কল্যাণ সমিতির প্রকিউরমেন্ট অ্যান্ড লজিস্টিকস অফিসার জোনাকি ত্রিপুরা, উপজেলা স্বাস্থ্য অধিকার ফোরামের সদস্য সচিব শফিক ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে ডা. ধনিষ্টা চাকমা বলেন, মারাত্মক তীব্র অপুষ্টিতে আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসা ও ব্যবস্থাপনার জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সরবরাহ করায় হেলেন কেলার ইন্টারন্যাশনাল ও জাবারাং কল্যাণ সমিতির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। এ ধরনের সহায়তা মহালছড়ি উপজেলায় অপুষ্টিতে আক্রান্ত শিশুদের যথাযথ চিকিৎসা ও সেবা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তিনি বলেন, অপুষ্টিজনিত ঝুঁকি মোকাবিলায় উপজেলা পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবার সক্ষমতা আরও জোরদার করা প্রয়োজন। বিশেষ করে মারাত্মক তীব্র অপুষ্টিতে আক্রান্ত শিশুদের দ্রুত শনাক্তকরণ, চিকিৎসা ও নিয়মিত পর্যবেক্ষণের জন্য স্যাম ইউনিটের কার্যক্রম আরও কার্যকর করা জরুরি।

হস্তান্তর করা চিকিৎসা সরঞ্জাম ও অন্যান্য লজিস্টিকস যথাযথভাবে ব্যবহারের পাশাপাশি নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ এবং নিরাপদ সংরক্ষণ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

সংশ্লিষ্টরা জানান, দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় অপুষ্টিতে আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা অনেক ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জিং। উপজেলা পর্যায়ে স্যাম ইউনিটের প্রয়োজনীয় সক্ষমতা বাড়ানো গেলে শিশুদের প্রাথমিক পর্যায়েই শনাক্ত করে চিকিৎসার আওতায় আনা সম্ভব হবে। এর ফলে গুরুতর অপুষ্টিজনিত জটিলতা কমানোর পাশাপাশি শিশুদের প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার সুযোগও বাড়বে।

তাদের প্রত্যাশা, হেলেন কেলার ইন্টারন্যাশনাল ও জাবারাং কল্যাণ সমিতির এ সহায়তার ফলে মহালছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্যাম ইউনিটের চিকিৎসাসেবা পরিচালনার সক্ষমতা আরও বাড়বে। পাশাপাশি মারাত্মক তীব্র অপুষ্টিতে আক্রান্ত শিশুদের জন্য প্রয়োজনীয় চিকিৎসা, পরিচর্যা ও ব্যবস্থাপনা আরও সহজলভ্য ও কার্যকর হবে।

  • অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
  • ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
  • ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল কন্টেন্টের দুনিয়ায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *