বান্দরবানে সন্ত্রাস-মাদকবিরোধী সমাবেশ, কঠোর অবস্থানের ঘোষণা বিএনপির
![]()
জার্নাল প্রতিবেদক
মাদক ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের ঘোষণা দিয়েছে বান্দরবান জেলা বিএনপি। মাদকসেবী কিংবা মাদক কারবারি যে ব্যক্তি বা যে দলেরই হোক, তাদের সঙ্গে কোনো আপস করা হবে না বলে সমাবেশে জানিয়েছেন দলটির নেতারা। একই সঙ্গে মাদকের বিস্তার রোধে পরিবার, সমাজ, প্রশাসনের পাশাপাশি রাজনৈতিক দলগুলোকেও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) জেলা বিএনপির আয়োজনে সন্ত্রাস ও মাদকবিরোধী শোভাযাত্রা ও সমাবেশে এসব কথা বলেন নেতারা। কর্মসূচিটির আয়োজনের তথ্য স্থানীয় একাধিক প্রতিবেদনের সঙ্গেও মিলে যায়।
বৃহস্পতিবার সকালে বান্দরবান জেলা বিএনপি কার্যালয় থেকে একটি মাদকবিরোধী শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে মুক্তমঞ্চে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে অনুষ্ঠিত হয় সন্ত্রাস ও মাদকবিরোধী সমাবেশ।
সমাবেশে জেলা বিএনপির সদস্যসচিব জাবেদ রেজা, যুগ্ম আহ্বায়ক জসিম উদ্দীন তুষার, লিটল বিশ্বাসসহ জেলা বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। জাবেদ রেজা বর্তমানে বান্দরবান জেলা বিএনপির সদস্যসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, মাদক ও সন্ত্রাস যুবসমাজ এবং দেশের ভবিষ্যতের জন্য বড় ধরনের হুমকি। মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দল-মত নির্বিশেষে ব্যবস্থা নেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে। মাদকের বিস্তার রোধে শুধু আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর নির্ভর না করে পরিবার, সমাজ ও রাজনৈতিক সংগঠনগুলোকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে ভূমিকা রাখতে হবে।

বক্তারা আরও বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে সন্ত্রাস, মাদক ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়া হবে। পাশাপাশি সব জাতিগোষ্ঠী, শ্রেণি ও পেশার মানুষের অংশগ্রহণে নিরাপদ ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ে তোলার কথা তুলে ধরেন তারা।
সমাবেশে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ‘রেইনবো নেশন’ গড়ে তোলার রাজনৈতিক প্রত্যয়ের কথাও তুলে ধরেন নেতারা। তাদের বক্তব্যে দেশের সব জাতিগোষ্ঠী ও শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণ এবং সমঅধিকারের বিষয়টি গুরুত্ব পায়।
বান্দরবানের মতো সীমান্তবর্তী ও পার্বত্য জেলায় মাদক ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সামাজিক সচেতনতা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার কথাও সমাবেশে উঠে আসে। বক্তারা বলেন, মাদকের বিস্তার ঠেকাতে প্রশাসনের পাশাপাশি রাজনৈতিক দল, জনপ্রতিনিধি, সামাজিক সংগঠন, পরিবার ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
সমাবেশ থেকে মাদক ও সন্ত্রাসবিরোধী সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানানো হয়। একই সঙ্গে তরুণ সমাজকে মাদক থেকে দূরে রাখা এবং অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে পরিবার ও সমাজের দায়িত্বশীল ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন বিএনপি নেতারা।
- অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
- ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
- ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল কন্টেন্টের দুনিয়ায়।