রাওয়ার ১২তম বইমেলা শুরু, ১৭ লেখকের ২১ নতুন বইয়ের মোড়ক উন্মোচন

রাওয়ার ১২তম বইমেলা শুরু, ১৭ লেখকের ২১ নতুন বইয়ের মোড়ক উন্মোচন

রাওয়ার ১২তম বইমেলা শুরু, ১৭ লেখকের ২১ নতুন বইয়ের মোড়ক উন্মোচন
“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

জার্নাল প্রতিবেদক

‘বইয়ের সঙ্গে বন্ধুত্ব করি—জ্ঞানচর্চার সংস্কৃতি গড়ি’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে তিন দিনব্যাপী ১২তম রাওয়া বইমেলা-২০২৬ শুরু হয়েছে। অবসরপ্রাপ্ত সশস্ত্র বাহিনীর কর্মকর্তাদের সংগঠন রিটায়ার্ড আর্মড ফোর্সেস অফিসার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন (রাওয়া) এ বইমেলার আয়োজন করেছে।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সকাল ১০টায় পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শুরু হয়।

বিশিষ্ট কবি, প্রাবন্ধিক, রাজনীতিবিদ ও সাংবাদিক আবদুল হাই শিকদার বইমেলার উদ্বোধন করেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন রাওয়ার মেম্বার লাইব্রেরি অ্যান্ড পাবলিকেশন লে. কর্নেল নুরুজ্জামান, জি (অব.)। পরে বক্তব্য দেন রাওয়ার চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আবদুল হক, পিএসসি (অব.)।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে আবদুল হাই শিকদার বইয়ের গুরুত্ব ও জ্ঞানচর্চার প্রয়োজনীয়তার ওপর বক্তব্য দেন। পরে তিনি রাওয়ার লেখকদের নতুন বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করেন। এ সময় ১৭ জন লেখকের ২১টি নতুন বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করা হয়। একই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বইমেলার স্পন্সর পার্টনারদের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেন। পরে রাওয়া চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আবদুল হক, পিএসসি (অব.) প্রধান অতিথিকে রাওয়ার পক্ষ থেকে সম্মাননা ক্রেস্ট উপহার দেন।

রাওয়ার অবসরপ্রাপ্ত সামরিক কর্মকর্তা লেখকদের পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন খ্যাতনামা প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানসহ মোট ৫৫টি স্টল এবারের বইমেলায় অংশ নিয়েছে। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত সর্বসাধারণের জন্য মেলা উন্মুক্ত থাকবে।

আয়োজকেরা জানান, লেখক, প্রকাশক, পাঠক ও বইপ্রেমীদের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ ও মেলবন্ধন তৈরি করে বইমেলাকে একটি প্রাণবন্ত মিলনমেলায় পরিণত করাই এ আয়োজনের অন্যতম উদ্দেশ্য। একই সঙ্গে রাওয়ার লেখক সদস্য, তাঁদের পরিবার ও সন্তানদের লেখা বই পাঠকদের কাছে পরিচিত করে তোলার লক্ষ্যেও এ মেলার আয়োজন করা হয়েছে।

বইমেলায় প্রতিদিন বিকেল ৩টায় স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে বইভিত্তিক বিভিন্ন প্রতিযোগিতা, পুরস্কার বিতরণ ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। মাগরিবের নামাজের পর থাকছে অনুপ্রেরণামূলক মোটিভেশনাল লেকচার। পাশাপাশি প্রতিদিন লেখক ও প্রকাশকদের পক্ষ থেকে বিভিন্ন বইয়ের পরিচিতি তুলে ধরা হবে।

আয়োজকেরা আশা করছেন, বইমেলাকে কেন্দ্র করে পাঠক ও বইপ্রেমীদের মধ্যে বই পড়ার আগ্রহ বাড়বে এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে জ্ঞানচর্চা ও সৃজনশীলতার বিকাশে উৎসাহ তৈরি হবে। একই সঙ্গে লেখক, প্রকাশক ও পাঠকদের পারস্পরিক যোগাযোগের মাধ্যমে বইভিত্তিক একটি প্রাণবন্ত পরিবেশ গড়ে উঠবে।

তিন দিনব্যাপী এ বইমেলার সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১০ অক্টোবর। সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন জাতীয় অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহ।

  • অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
  • ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
  • ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল কন্টেন্টের দুনিয়ায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *