মহেশখালীতে এলজি ও কার্তুজসহ ১১ মামলার আসামি গ্রেপ্তার, আহত ২ পুলিশ সদস্য
![]()
জার্নাল প্রতিবেদক
কক্সবাজারের মহেশখালীতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে দেশীয় তৈরি একটি এলজি ও এক রাউন্ড ১২ বোর কার্তুজসহ মো. লোকমান নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশের দাবি, তাঁর বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপরাধে ১১টি মামলা রয়েছে। অভিযানের সময় পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় দুই পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।
সোমবার (২ নভেম্বর) রাত ৭টা ৫ মিনিটের দিকে উপজেলার হোয়ানক ইউনিয়নের কাঠালতলী পাড়ার ছড়ার পাশে বাঁশতলা এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়।
জেলা পুলিশ সুপারের দিকনির্দেশনায় এবং মহেশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুস সুলতানের তত্ত্বাবধানে পিএসআই মোহাম্মদ ইকবালের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল অভিযান পরিচালনা করে। পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তারা জানতে পারে, বাঁশতলা এলাকায় কয়েকজন ব্যক্তি অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে একজনকে হত্যার উদ্দেশ্যে অবস্থান করছেন।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনাস্থলে পৌঁছালে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অস্ত্রধারীরা লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়েন। এ সময় পুলিশ আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি চালায়। একপর্যায়ে অন্যরা পাহাড়ের দিকে পালিয়ে গেলেও মো. লোকমানকে আটক করা হয়।
পুলিশের দাবি, লোকমানকে নিয়ে আসার সময় তাঁর সঙ্গী ও পরিবারের সদস্যরা পুলিশের ওপর হামলা চালান। এতে দুই পুলিশ সদস্য আহত হন। পরে তাঁদের মহেশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।
পুলিশ আরও জানায়, গ্রেপ্তারের পর লোকমানের দেহ তল্লাশি করে তাঁর পরিহিত লুঙ্গির বাম কোমরের ভাঁজ থেকে একটি দেশীয় তৈরি এলজি ও লাল রঙের এক রাউন্ড ১২ বোর কার্তুজ উদ্ধার করা হয়। রাত ৭টা ৩০ মিনিটের দিকে সাক্ষীদের উপস্থিতিতে এসব অস্ত্র ও কার্তুজ জব্দ করা হয়।
থানা-পুলিশের রেকর্ড ও সিডিএমএস যাচাইয়ের বরাত দিয়ে জানানো হয়, লোকমানের বিরুদ্ধে মহেশখালী থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ডাকাতির প্রস্তুতি, অস্ত্র আইন, হত্যা, হত্যাচেষ্টা, মারামারি, চুরি এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের বিভিন্ন ধারায় মোট ১১টি মামলায় এজাহারভুক্ত বা অভিযোগপত্রভুক্ত আসামি হিসেবে সংশ্লিষ্টতার তথ্য রয়েছে।
- অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
- ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
- ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল কন্টেন্টের দুনিয়ায়।