ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসারে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত ২৪ ঘণ্টা খোলা রাখার পরামর্শ
![]()
নিউজ ডেস্ক
পশ্চিমবঙ্গ পরিবহন দফতরের চেয়ারম্যান ও তৃণমূল সাংসদ শ্রী মদন মিত্র বলেছেন, ভারত-বাংলাদেশের সুসম্পর্ক আরও দৃঢ় করতে ২৪ ঘণ্টা সীমান্ত খোলা রাখা উচিত। এতে দুই দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য ও বন্ধুত্বের সম্পর্ক আরও বেগবান হবে।
সোমবার (১০ এপ্রিল) রাজধানীর ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির পক্ষে জাতির জনকের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, ভারত বাংলাদেশের বর্ডার ৬টায় বন্ধ হয়ে যায়। এতে অনেক মানুষ ও যানবাহন আটকে পড়ে। যার ফলে ব্যবসা-বাণিজ্য ও অন্যান্য ক্ষেত্রে সমস্যার সৃষ্টি হয়। তাই যদি ২৪ ঘণ্টা বর্ডার খোলা রাখা যায়, তা হলে যাতায়াতে আর কোনো সমস্যা থাকে না। দুই দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার বাড়ে। যাতায়াতেও সুবিধা হয়।
পদ্মা সেতুর জন্য সড়কপথে ভারত-বাংলাদেশের যোগাযোগ আরও প্রসারিত হবে মন্তব্য করে মদন মিত্র বলেন, পদ্মা সেতু হওয়াতে এখন দুই দেশের সড়কপথে আরও যাতায়াত বাড়ানো সম্ভব। বাস চলাচলে নতুন নতুন রুট করার পরিকল্পনা করা হয়েছে।
ট্রেনের যাতায়াতের চেয়ে বাসের যাতায়াত বাড়াতে পারলে বেশি লাভবান হবে জানিয়ে তিনি বলেন, ট্রেনে যাতায়াতের চেয়ে বাস যাতায়াত সহজ। অনেক বেশি মানুষ যাতায়াত করতে পারে। তাই বাস মালিক সমিতি, যাত্রী সমিতি উদ্যোগ নিলে আরও বাস চলার সম্ভাবনা আছে।
শিগগিরই কলকাতা টু চট্টগ্রাম বাস চলাচল শুরু হতে পারে। আমি সেই রুট দেখে এসেছি। এমনকি রাজশাহী টু খুলনা হয়েও সড়কপথে বাস চলাচল করা সম্ভব কি না তা দেখতে যাব। যতভাবে ভারত-বাংলাদেশের সড়কপথে যোগাযোগ বাড়ানো যায় সেটা পর্যবেক্ষণ করে যাব, যোগ করেন তিনি।
মদন মিত্র বলেন, ‘আমি সরেজমিনে দেখে মুখ্যমন্ত্রীকে প্রতিবেদন দেব। যাতে সড়কপথে ভারত-বাংলাদেশের এই যাতায়াত ব্যবস্থা আরও দ্রুত বাস্তবায়ন করা যায়।
তিস্তা ইস্যু নিয়ে পশ্চিমবঙ্গ পরিবহন দপ্তরের চেয়ারম্যান বলেন, তিস্তা ইস্যু আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
এই ইস্যুতে আপনি কোনো ভূমিকা রাখতে পারেন কি না প্রশ্নের জবাবে মদন মিত্র বলেন, ‘বাংলাদেশ ভারতের বন্ধুত্ব অটল। সংসদীয় দলের বৈঠক হলে এ ব্যাপারে বলা সম্ভব। কিন্তু আমি আসলে কোনো সিদ্ধান্ত দিতে পারি না।’