ঢাবিতে প্রথমবার ম্রো নারীর পদচারণা: জাতিগত প্রতিনিধিত্বের মাইলফলক

ঢাবিতে প্রথমবার ম্রো নারীর পদচারণা: জাতিগত প্রতিনিধিত্বের মাইলফলক

ঢাবিতে প্রথমবার ম্রো নারীর পদচারণা: জাতিগত প্রতিনিধিত্বের মাইলফলক
“এখান থেকে শেয়ার করতে পারেন”

Loading

নিউজ ডেস্ক

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে ইতিহাস গড়েছেন পার্বত্য চট্টগ্রামের ম্রো সম্প্রদায়ের শিক্ষার্থী ইয়াপাও ম্রো। তিনি ম্রো সম্প্রদায়ের প্রথম নারী হিসেবে দেশের অন্যতম শীর্ষ উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ অর্জন করেছেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা দেশের সবচেয়ে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষাগুলোর একটি হিসেবে পরিচিত। দীর্ঘ প্রস্তুতি, কঠোর পরিশ্রম, মানসিক দৃঢ়তা ও ধারাবাহিক অধ্যবসায়ের মধ্য দিয়ে ইয়াপাও ম্রো এই সাফল্য অর্জন করেন বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রত্যন্ত ও দুর্গম অঞ্চল থেকে উঠে আসা এই শিক্ষার্থী দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষা ও অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতার সঙ্গে লড়াই করে আসছিলেন।

শিক্ষা সংশ্লিষ্টদের মতে, ইয়াপাও ম্রোর এই অর্জন শুধু ব্যক্তিগত সাফল্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং এটি ম্রো সম্প্রদায়সহ পার্বত্য চট্টগ্রামের অন্যান্য প্রান্তিক ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মেয়েদের জন্য উচ্চশিক্ষায় নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিয়েছে। শিক্ষা অধিকার আন্দোলন ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর উন্নয়নকর্মীরা মনে করছেন, এই সাফল্য বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থায় জাতিগত প্রতিনিধিত্বের ক্ষেত্রে একটি তাৎপর্যপূর্ণ মাইলফলক।

ইয়াপাও ম্রোর পরিবার, সহপাঠী ও সম্প্রদায়ের সদস্যরা তার এই অর্জনে সন্তোষ ও গর্ব প্রকাশ করেছেন এবং ভবিষ্যৎ শিক্ষাজীবনে তার সাফল্য কামনা করেছেন। স্থানীয় পর্যবেক্ষকদের মতে, সামাজিক ও শিক্ষাগত নানা প্রতিবন্ধকতার মধ্যেও এই সাফল্য প্রমাণ করে—সুযোগ ও দৃঢ় সংকল্প একত্রিত হলে অসম্ভবকেও সম্ভব করা যায়।

প্রসঙ্গত, দীর্ঘদিন ধরে পার্বত্য চট্টগ্রামের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীগুলোর শিক্ষায় অংশগ্রহণ সীমিত থাকলেও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে কিছু শিক্ষার্থীর সাফল্য সেই বাস্তবতায় ধীরে ধীরে পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

  • অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
  • ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
  • ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল  কন্টেন্টের দুনিয়ায়।