মণিপুরে অস্ত্র ও বিপুল বিস্ফোরক উদ্ধার, আইইডি ধ্বংস
![]()
নিউজ ডেস্ক
ভারতের মণিপুর রাজ্যের বিভিন্ন পাহাড়ি ও উপত্যকা জেলায় নিরাপত্তা বাহিনী অন্তত ২৯টি আগ্নেয়াস্ত্র, গোলাবারুদ এবং ৫০টি আইইডি (ইম্প্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস) উদ্ধার করেছে বলে পুলিশ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, সব উদ্ধার অভিযান ২০ মার্চ (শুক্রবার) পরিচালিত হয়।
এক অভিযানে Kakching জেলার Wabagai Turel Mamei এলাকা থেকে একটি একে-৫৬ রাইফেলসহ ছয়টি আগ্নেয়াস্ত্র, তিনটি গ্রেনেড এবং গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়।
এছাড়া Tengnoupal জেলার Loisi ও Saivom গ্রামের আশপাশ থেকে ২৯টি আইইডি, পাঁচটি দেশীয় গ্রেনেড, পাঁচটি বৈদ্যুতিক ডেটোনেটরসহ বিভিন্ন বিস্ফোরক সামগ্রী জব্দ করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, Imphal West জেলার Lamdeng ও Kameng এলাকা থেকে ১১টি পিস্তল, ৮৫ রাউন্ড তাজা গুলি, চারটি ক্যামোফ্লাজ বুলেটপ্রুফ ভেস্ট এবং তিনটি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
অন্যদিকে Machi Police Station–এর অধীন SL Zougam এলাকা থেকে নয়টি আইইডি, একটি পিস্তল এবং গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, “উদ্ধার করা আইইডিগুলো নিরাপত্তা প্রোটোকল ও নির্ধারিত স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং পদ্ধতি অনুসরণ করে ধ্বংস করা হয়েছে।”
এছাড়া Yangoubung গ্রাম, যা ভারত-মিয়ানমার সীমান্তের নিকটবর্তী Tengnoupal জেলায় অবস্থিত, সেখান থেকে ১২টি আইইডি, চারটি রেডিও সেট, তিনটি পিস্তল এবং একটি গ্রেনেড লঞ্চার উদ্ধার করা হয়। এসব বিস্ফোরক ঘটনাস্থলেই ধ্বংস করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
পাশাপাশি Thoubal জেলার Tekcham Sanji Ching–এর পাদদেশ থেকে পাঁচটি আগ্নেয়াস্ত্র ও গোলাবারুদ জব্দ করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, দুই বছর আগে জাতিগত সহিংসতা শুরু হওয়ার পর থেকে মণিপুরে নিরাপত্তা বাহিনী নিয়মিত তল্লাশি অভিযান পরিচালনা করে আসছে।
উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের মে মাস থেকে মেইতেই ও কুকি-জো গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষে এ পর্যন্ত ২৬০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন এবং হাজার হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।
- অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
- ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
- ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল কন্টেন্টের দুনিয়ায়।