আর্মড ফোর্সেস মেডিকেল কলেজের ১৯তম কাউন্সিল সভা অনুষ্ঠিত
![]()
জার্নাল প্রতিবেদক
আর্মড ফোর্সেস মেডিকেল কলেজের (এএফএমসি) ১৯তম কাউন্সিল অব দ্য কলেজ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় কলেজের শিক্ষার মান আধুনিকায়ন, একাডেমিক উৎকর্ষ বৃদ্ধি, চিকিৎসা শিক্ষা ও গবেষণার পরিধি সম্প্রসারণ এবং অবকাঠামোগত সক্ষমতা বাড়ানোর বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা ও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) ঢাকায় আর্মড ফোর্সেস মেডিকেল কলেজে আয়োজিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন কাউন্সিল অব দ্য কলেজের চেয়ারম্যান ও সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।
সভায় ডিজিএমএস মেজর জেনারেল কাজী মো. রশীদ-উন-নবী, অ্যাডজুট্যান্ট জেনারেল মেজর জেনারেল মো. হোসাইন আল মোরশেদ, আর্মড ফোর্সেস মেডিকেল কলেজের কমান্ড্যান্ট মেজর জেনারেল মো. মাসুদুল আলম মজুমদার এবং বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের (বিইউপি) উপাচার্য মেজর জেনারেল মো. মাহবুব-উল আলম উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া প্রতিরক্ষা, অর্থ, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, কাউন্সিলের সদস্য এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমান বাহিনীর প্রতিনিধিরা সভায় অংশ নেন।
১৯৯৯ সালের ২০ জুন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্তির মাধ্যমে ৫৬ জন মেডিকেল ক্যাডেট নিয়ে আর্মড ফোর্সেস মেডিকেল কলেজের একাডেমিক কার্যক্রম শুরু হয়। প্রতিষ্ঠার পর থেকে প্রতিষ্ঠানটি সশস্ত্র বাহিনীর জন্য চিকিৎসক তৈরির পাশাপাশি দেশের চিকিৎসা শিক্ষার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।
১৯তম কাউন্সিল সভায় এএফএমসির শিক্ষাব্যবস্থাকে আরও আধুনিক, যুগোপযোগী ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন করার লক্ষ্যে বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। সাম্প্রতিক পেশাগত পরীক্ষার ফলাফল পর্যালোচনা, একাডেমিক উৎকর্ষ বৃদ্ধি এবং ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনাকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।

সভায় এএফএমসির বাজেট ও আর্থিক ব্যবস্থাপনা, ২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষে ২৯তম ব্যাচের ক্যাডেট ভর্তি কার্যক্রম, একাডেমিক ভবন ও মহিলা ডরমেটরির বর্ধিতাংশ নির্মাণ এবং জাতীয় রুফটপ সোলার কর্মসূচির আওতায় নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার সম্প্রসারণের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এছাড়া এএফএমসির নিজস্ব ডেডিকেটেড ট্রেনিং হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ, ভবিষ্যৎ চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ক্যাডেট সংখ্যা বৃদ্ধি এবং চিকিৎসা শিক্ষা, প্রশিক্ষণ, গবেষণা ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের বিভিন্ন বিষয়েও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে এএফএমসির শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও গবেষণার সক্ষমতা আরও বাড়বে। একই সঙ্গে আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞান, ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ ও গবেষণার সমন্বয়ে সশস্ত্র বাহিনী ও দেশের জন্য দক্ষ, মানবিক ও নৈতিক চিকিৎসক তৈরিতে প্রতিষ্ঠানটির সক্ষমতা আরও বিস্তৃত হবে।
কাউন্সিল সভা শেষে সেনাবাহিনী প্রধান ও কাউন্সিল অব দ্য কলেজের চেয়ারম্যান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান আর্মড ফোর্সেস মেডিকেল কলেজের বিদ্যমান ক্লিনিক্যাল স্কিলস অ্যান্ড সিমুলেশন ল্যাবরেটরি পরিদর্শন করেন। এ সময় বিদ্যমান ল্যাবরেটরিটি আরও আধুনিক ও সম্প্রসারিত পরিসরে স্থানান্তরের লক্ষ্যে নির্ধারিত নতুন স্থানে তিনি ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।
- অন্যান্য খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন।
- ফেসবুকে আমাদের ফলো দিয়ে সর্বশেষ সংবাদের সাথে থাকুন।
- ইউটিউবেও আছি আমরা। সাবস্ক্রাইব করে ঘুরে আসুন ডিজিটাল কন্টেন্টের দুনিয়ায়।